আলো ডেস্ক: বাংলাদেশ ও তানজানিয়া মৎস্য, গবাদি পশু, উদ্যান ও জলজ চাষাবাদসহ কৃষির বিভিন্ন খাতে পরস্পরকে সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছে।
উভয় দেশই সরকারি যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে সমুদ্র অর্থনীতি এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক খাতে সহযোগিতা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত সোমবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে তানজানিয়ার প্রাণিসম্পদ ও মৎস্যমন্ত্রী মাশিম্বা মাশাউরি ডাকি এবং সমুদ্র অর্থনীতি, মৎস্যমন্ত্রী আবদুল্লাহ হুসেইন কোম্বোর মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। ২১তম ভারত মহাসাগরীয় রিম অ্যাসোসিয়েশন (আইওআরএ) মন্ত্রী পরিষদ এবং সংশ্লিষ্ট বৈঠকে অংশ নেয়ার জন্য তানজানিয়ার দুই মন্ত্রীই ঢাকা সফরে রয়েছেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন অর্জন করেছে। বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতায় বিশ্বাস করে বলে উল্লেখ করে ড. মোমেন ভারত মহাসাগরীয় রিম এসোসিয়েশনে বাংলাদেশ চেয়ারশিপকে সমর্থন করার জন্য তানজানিয়া সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, সৃজনশীল অর্থনীতিসহ অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে, যার জন্য ইউনেস্কো বাংলাদেশকে ইউনেস্কো-বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রদান করেছে। তানজানিয়ার সমুদ্র অর্থনীতি ও মৎস্য মন্ত্রী বাংলাদেশের জলজ চাষাবাদ, মৎস্য খাত, জাহাজ নির্মাণ শিল্প এবং উদ্যানপালন খাত সম্পর্কে জানতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
উভয় পক্ষই বাণিজ্য ও অর্থনীতির উন্নয়নে ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদল বিনিময়ের গুরুত্বের কথাও তুলে ধরে। ড. মোমেন রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের জন্য তানজানিয়া সরকারের কাছ থেকে সহযোগিতা চান।
