আলো ডেস্ক: সব মহলের সহযোগিতা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির চর্চা শক্তিশালী হলে ডাকসু নির্বাচন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। গতকাল শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদুল মতিন ভার্চ্যুয়াল ক্লাসরুমে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।
উপাচার্য বলেন, ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে নেতৃত্ব গড়ে ওঠে। আমাদের সাড়ে তিনশ শিক্ষার্থী ডাকসুর মাধ্যমে অনেক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে। ডাকসু নির্বাচন একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। একারণে সর্বমহলের সহযোগিতার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ চর্চা শক্তিশালী করতে হবে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ডাকসু গতিশীল নেতৃত্ব, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। দীর্ঘ তিন দশক পর যখন ডাকসু নির্বাচন হলো, হল সংসদ এবং কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ সব মিলিয়ে প্রায় সাড়ে তিনশ বিদগ্ধ, একেবারে তরুণ, বুদ্ধিদীপ্ত শিক্ষার্থী তারা বিভিন্ন নেতৃত্বে কাজ করেছিল।
এবং বিভিন্ন ইন্টারেকশনের মধ্যে দিয়ে তাদের দক্ষতা অর্জনের সুযোগ হয়েছে। সেটি খুবই প্রত্যাশিত একটি বিষয়। এটি (ডাকসু নির্বাচন) আয়োজনের জন্য সকল মহলের সহযোগিতা থাকা যেমন প্রত্যাশিত, তেমনিভাবে পুরো জাতীয়ভাবে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ চর্চার একটি সংস্কৃতি সেটিও আরও শক্তিশালী করা খুব জরুরি।
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সংস্কৃতির চর্চা -এটি আপনারা আরও ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করতে পারবেন। কিন্তু এটি অনেক সময় বড় আকারে ধাক্কা খায়। ফলে সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই এধরনের বড় আকারের কর্মপ্রয়াস গ্রহণ করতে হয়। তাহলে কি এই বিষয়গুলো কম আছে বা নেই-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ডাকসু নির্বাচন বিশাল একটি কর্মযজ্ঞ, এটি সম্পাদনের জন্য সর্বমহলের সহযোগিতা, কমিটমেন্ট থাকা উচিত।
আরেকটি হলো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ চর্চার সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। সবশেষ ২০১৯-এ ডাকসুর নির্বাচনে মোট ২৫ টি পদের মধ্যে ২৩টি পদেই নির্বাচিত হন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সমর্থিত সম্মিলিত শিক্ষার্থী সংসদের প্রার্থীরা।
অন্যদিকে ভিপি এবং সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদকের পদে জয়ী হয় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ মনোনীত প্রার্থীরা। চলতি বছর ২৩ মার্চ ডাকসুর মেয়াদ শেষ হয়েছে। এবার অপেক্ষা নতুন নির্বাচনের।
