আলো ডেস্ক: শিগগির বাংলাদেশে করোনা টিকা উৎপাদন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান (সালমান এফ রহমান)।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, ইনসেপ্টা চায়নার একটি কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা করছে। তাদের সঙ্গে টার্ম ও কন্ডিশন চূড়ান্ত হলে ইনসেপ্টা উৎপাদন শুরু করতে পারবে।
বেক্সিমকোও টিকা উৎপাদনের কার্যক্রম শুরু করেছে। আশা করছি, আগামী চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে আমরা টিকা উৎপাদনের কার্যক্রম শেষ করতে পারবো।
তিনি আরও বলেন, আগামী মাসে ভারত থেকে টিকা আসা শুরু হবে এবং আগামী বছরের প্রথম প্রান্তিকের মধ্যে সব টিকা চলে আসবে। অতিথি হিসেবে ক্রেস্ট ও ফুল না দিয়ে একটি সার্টিফিকেট বাঁধাই করে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সালমান এফ রহমান বলেন, আমি প্রচলনটা শুরু করেছি।
বিষয়টি বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) নতুন নেতাদের বলেছি। এখন আপনাদেরও বলছি। আমাকে অতিথি হিসেবে যে ফুল ও ক্রেস্ট দিচ্ছেন, সেটি না দিয়ে এ টাকাটা একটা চ্যারিটি ফান্ডে দিন।
সালমান এফ রহমান বলেন, আমি আশা করবো, ভবিষ্যতে সব প্রোগ্রামে আমার জন্য ক্রেস্ট ও ফুলের জন্য যে টাকা খরচ করবেন, এটা একটি চ্যারিটির জন্য ডোনেট করবেন। আমাকে এটা জানিয়ে দেবেন। আর কম টাকায় একটা সার্টিফিকেট বাঁধাই করে আমাকে দেবেন, আমি সেটা দেয়ালে টাঙিয়ে রাখবো।
এ ক্রেস্ট হাজারো ক্রেস্টের মতো বক্সে চলে যাবে, যেটা কেউ দেখবে না। সালমান এফ রহমান বলেন, অনেকগুলো ব্যাংকের ক্যাপিটাল কম। ভবিষ্যতে এগুলোকে মার্জ করে বড় ক্যাপিটালের ব্যাংক করতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের ব্যাংক সেক্টরে ঋণখেলাপি আছে।
সমস্যা হলো- আমরা শর্টটার্ম ডিপোজিট ব্যবহার করে লংটার্ম লোন দিচ্ছি। এটা মিস ম্যাচ। এই মিস ম্যাচের কারণেও সমস্যা হচ্ছে না। কারণ আমাদের অর্থনীতি গ্রো করছে। তিনি বলেন, ঋণখেলাপি বেসরকারি ব্যাংকে কম। সরকারিতে আছে কিছু। এটা সব দেশেই আছে। প্রভিশনিং ও ক্যাপিটাল থাকলে সমস্যা না।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে ক্যাপিটাল ছোট এমন অনেক ব্যাংক আছে। এ কারণে ভবিষ্যতে আমাদের এই ব্যাংকগুলোকে মার্জ করতে হবে। এগুলো মার্জ করে বড় ক্যাপিটালের ব্যাংক করতে হবে।
মিট দ্য রিপোর্টার্সে সভাপতিত্ব করেন ডিআরইউর সভাপতি মুরসালিন নোমানী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খান।
