বুলগেরিয়ায় পর্যটকবাহী বাস দুর্ঘটনায় ৪৬ জনের মৃত্যু
এফএনএস বিদেশ :বুলগেরিয়ায় পর্যটকবাহী বাস দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে ৭ জন। নিহতদের অধিকাংশ উত্তর মেসিডোনিয়ার নাগরিক। নিহতদের মধ্যে ১২ জন শিশু রয়েছে।
তার মধ্যে চার বছর বয়সী জমজ ছেলে শিশুও ছিল। খবর বিবিসির। ওই বাস থেকে কেবল সাতজন বেঁচে ফিরতে পারেন। তার মধ্যে চারজন পুরুষ ও তিনজন মহিলা।
গত মঙ্গলবার ভোরে বাসটি তুরস্ক থেকে উত্তর মেসিডোনিয়ায় ফিরছিল। বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি রাস্তায় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে হঠাৎ পাশের বেরিকেডে ধাক্কা দেয় এবং সঙ্গে সঙ্গে বাসটিতে আগুন ধরে যায়।
শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত জলন্ত বাসের জানালা ভেঙে কেবল ৭ জন প্রাণ নিয়ে বের হতে পারেন। বাকিরা দগ্ধ হয়ে মারা যান। এই ঘটনায় উত্তর মেসিডোনিয়া ও বুলগেরিয়ায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দেশ দুটিতে তিন দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
এই ঘটনায় যারপরনাই ব্যথিত বুলগেরিয়ার প্রধানমন্ত্রী জোরান জায়েভ। তিনি আহতদের হাসপাতালে দেখতে যান। সেখান থেকে ফিরে তিনি বলেছেন, ‘আহতদের হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলাম।
সন্তান হারানো এক পিতার কান্না দেখে আমার হৃদয় ভেঙে গেছে।’ আহতদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ফেরার পথে ক্লান্ত পর্যটকদের সবাই ঘুমাচ্ছিলেন।
হঠাৎ বিকট বিস্ফোরণের শব্দে তাদের ঘুম ভাঙে। চোখ খুলে তারা অগ্নিকুণ্ড দেখতে পান। তবে ঠিক কি কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে এবং বাসটিতে বিস্ফোরণ ঘটেছে সেটা এখনো পরিস্কার নয়। কারণ, দুর্ঘটনার সময় বাসটির সামনে বা পেছনে কোনো গাড়ী ছিল না।
