রাজশাহীতে ছিনতাইকারীদের নয়া কৌশল মহাসড়কে যাত্রী-পথচারীদের থাবা দিয়ে কেড়ে নিচ্ছে মোবাইল!

রা জ শা হী র আ লোঃ – আবু হেনা মোস্তফা জামান
রাজশাহী মহানগরীতে ছিনতাইকারীরা তাদের ছিনতাই কাজে নতুন কৌশল ব্যবহার করছে। ইদানিং তারা পথচারী, রিক্সা-অটোর যাত্রীদের টার্গেট করছে। বিশেষ করে রাস্তায় দিয়ে যাতায়াতের সময় মোবাইল ফোনে কথা বলা মহিলাদের থাবা দিয়ে দামি মোবাইল কেড়ে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে তারা। এই ছিনতাইয়ের কাজে তারা ব্যবহার করছে দ্রুতগামী দামী মোটরবাইক।

বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারী) নওদাপাড়া এলাকার বাসিন্দা আফরোফা বেগম (৩৫) নামে এক নারী অটো যোগে নগরীর কাটাখালীর উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। পথে মতিহার থানাধিন কাজলা অক্ট্রয় মোড়ে মোবাইলে ফোন আসলে তিনি তার ফোন বের করে কথা বলতে শুরু করেন। হাটাৎ অজ্ঞাত এক যুবক তার হাতে থাবা দিবে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে দৌঁড় দেয়।

এ সময় ওই নারী চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকারে অক্ট্রয় মোড়ের স্থানীয়রা ছিনতাইকারীকে ধাওয়া দেয়। প্রান বাঁচাতে মোবাইল ফোন ফেলে পালিয়ে যায় দুইজন ছিনতাইকারী। আফরোফা বেগম জানান, তার ভিভো ব্রান্ডের মোবাইল ফোন। মাত্র কয়েকদিন আগে ২২ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে ক্রয় করেছেন।

এর আগে, গত (২৫ ডিসেম্বর ২০২১) সন্ধায় মতিহার থানাধিন কাজলা বড় মসজিদের সামনের রাস্তায় ফোনে কথা বলছিলেন এক শিক্ষার্থী। ওই সময় দুই ছিনতাইকারী তার হাতে থাবা দিয়ে মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তারা মতিহার থানা একটি সাধারন ডায়েরী করেন।

এর একদিন পরে (২৭ ডিসেম্বর ২০২১) সানজিদা বেগম নামের এক নারী (এনজিও ম্যানেজার) অফিসের মিটিং শেষে বানেশ্বর থেকে সাহেববাজারের উদ্দেশ্যে অটো যোগে রওনা দেন।

পথে মতিহার থানাধিন মির্জাপুর স্কুলের সামনের মহাসড়কে মোটরবাইক যোগে আসা দুই ছিনতাইকারী ওই নারীর ভ্যানিটি ব্যাগ থাবা দিয়ে কেড়ে বাইকের গতি বাড়িয়ে পালিয়ে যায়। এনজিও ম্যানেজারের বক্তব্য অনুযায়ী তার ব্যাগে নগদ মোটা টাকা, দুটি দামি মোবাইল ফোন, স্বর্ণের চেইন ও বেশকিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিলো।

পরে ওই নারী মতিহার থানায় একটি ছিনতাই মামলা দায়ের করেন। এ ব্যপারে জানতে চাইলে মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনোয়ার আলী তুহিন জানান, ছিনতাইরোধে সড়কে নিয়মিত টহল দিচ্ছে পুলিশ। শিঘ্রই অপরাধীদের চিহিৃতকরে আইনের আওতায় আনা হবে।