আলো ডেস্ক: করোনায় একদিনের হিসাবে দেশে আবারও মৃতের সংখ্যা বেড়েছে। এর বিপরীতে শনাক্তের হার কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ১৪ জন। আর নতুনভাবে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৪৩ জন। গতকাল মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। আগের দিন মৃতের সংখ্যা ছিল ১১ জন, আর শনাক্ত হয়েছিল ৫৯৯ জন। নতুন ১৪ জনকে নিয়ে মোট মৃত্যু হলো ২৭ হাজার ৭১৩ জনের। আর মোট শনাক্তের সংখ্যা ১৫ লাখ ২৫ হাজার ১৬৮ জন। ১১ অক্টোবর সকাল ৮টা থেকে ১২ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত শনাক্তের হার ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২২ হাজার ৯২৪টি, অ্যান্টিজেন টেস্টসহ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৩ হাজার ১৫৫টি। এখন পর্যন্ত ৯৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫৪৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়, শনাক্ত বিবেচনায় গত ২৪ ঘণ্টায় প্রতি ১০০ নমুনায় ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং এখন পর্যন্ত ১৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ শনাক্ত হয়েছে। শনাক্ত বিবেচনায় প্রতি ১০০ জনে সুস্থ হয়েছে ৯৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ এবং মারা গেছেন ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ। মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে পুরুষ ১০ জন এবং নারী ৪ জন। এরমধ্যে বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায় যায়, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ৩ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ২ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৫ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ২ জন এবং ০ থেকে ১০ বছরের মধ্যে ১ জন মারা গেছেন। বিভাগ বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন ৬ জন, চট্টগ্রামে ৪ জন, খুলনায় ২ জন, বরিশালে ১ জন এবং রংপুরে ১ জন। ২৪ ঘণ্টায় সরকারি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন ১২ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ১ জন এবং বাসায় ১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৭০১ জন। এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ২৫ হাজার ১৬৮ জন। বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। গত ৩১ অগাস্ট তা ১৫ লাখ পেরিয়ে যায়। এর আগে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপক বিস্তারের মধ্যে ২৮ জুলাই দেশে রেকর্ড ১৬ হাজার ২৩০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ২৯ অগাস্ট তা ২৬ হাজার ছাড়িয়ে যায়। তার আগে ৫ অগাস্ট ও ১০ অগাস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যুর খবর আসে, যা মহামারীর মধ্যে এক দিনের সর্বোচ্চ সংখ্যা। বিশ্বে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ৪৮ লাখ ৫৯ হাজার ছাড়িয়েছে। আর শনাক্ত হয়েছে ২৩ কোটি ৮৩ লাখের বেশি রোগী।
