তরিকুল ইসলামের খুঁটির জোর কোথায়?
স্টাফ রিপোর্টার
দুর্নীতি ও অনিয়মের বিস্তার অভিযোগ থাকলে ও রাজশাহী জেলার পরিবার পরিকল্পনা অফিসের অফিস সহকারীর কাম কম্পিউটার অপারেটর তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে কখনেই শাস্তি মূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এমন অভিযোগ রাজশাহী জেলার অধিনে প্রতেক উপজেলা ও ইউনিয়ন সাহস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কল্যান কেন্দ্রে কর্মরত সকল কর্ম কর্তা, কর্মচারীর। তাই তো তিনি ১৪/১৫ বছর একই চেয়ারে বহাল তবিয়তে রাজত্ব করছেন।
এদিকে গত ৮ই জুলাই তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের সংবাদ প্রকাশ হলে প্রতিবেদকের কাছে মুঠো ফোনে বিস্তার অভিযোগ ও অনিয়মের অভিযোগ আসতে থাকে। নাম প্রকাশে অনুচ্ছক অনেকে বলেন এত দিন আমরা অনেক অনিয়ম সজ্য করছি।
অফিসে গেলে মনে হতো তরিকুল ইসলাম সর্বময় কর্তা আর আমরা কেবলই তার প্রজা। তার মন মতো না হলে অনেক মেডিকেল অফিসারের ফোন পরযন্ত রিসিব করতেন না আবার রিসিভ করে সম্মান সুচক ব্যবহার ও দেখাতেন না।
পেনশন ও ফরোয়ার্ডিং নিতে আসলেই করতেন ব্যাপক অর্থ বানিজ্য চাইতেন মোটা অংকের টাকা। এক একটা ফরোয়ার্ডিং-এ ২/৩ হাজার ও শেষ বয়সে পেনশনের কাগজ পত্র জমা দিতে আসলে দিতে হতো ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা।
এই টাকা না দিলে তিনি নিজ তলা থেকে উপর তলা পরযন্ত ঘোরাতেন মাসের পর মাস এমন অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। এছাড়া ও কথিত আছে ১২/১৩ ও ১৩/১৪ সেশনে নিয়োগ বানিজ্য করে তরিকুল ইসলাম হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।
এই টাকা দিয়ে শহরের আবিজাত এলাকায় গড়ে তুলেছেন চারতলা বিলাশ বহুল বাড়ি। একজন অফিস সহকারীর কাম কম্পিউটার অপারেটর অবৈধ ভাবে টাকা হাতিয়ে না নিলে এ ধরনের বিলাশ বহুল বাড়ি করেন কি করে? তার বিরুদ্ধে তানোর উপজেলার বিভান্ন ইউনিয়নে পাঁচজন ফার্মাসিস্ট এরেই মধ্যে অনিয়ম তুলে ধরে জেলা অফিসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও এক অদৃশ্য কারনে এখনো তদন্ত শুরু করেনি জেলা ও বিভাগীয় অফিস।
তাদের ধারনা তা হলে কি সরিষার মধ্যে ভুত আছে। তাদের বিশ্বাস এবার হয়তো তরিকুলের মতো ব্যাক্তিদের বিচারের আওতায় আনবে এবং তার বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে শাস্তি মূলক বদলির আদেশে দিবেন। তার বিরুদ্ধে অনিয়মের সংবাদ প্রকাশ হলে সব উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে একে অপর কে মিষ্টি মুখ করান বলে প্রতিবেদকের কাছে সংবাদ আসে।
তারা নফল নামজ পড়ে ও নাকি দৈনিক রাজশাহীর আলো পত্রিকার জন্য দোয়া করেন। তারা বলেন বরাবরের মতোই এই দৈনিকটি সত্যির সন্দানে অবিচল থেকে কাজ করে যাচ্ছে। সকলের প্রতাশা এবার হয়ত পারসেন্টিস তরিকুল ইসলামের হাত থেকে মুক্তি পাব। জেলা অফিস হবে ঘুষ দুর্নীতি মুক্ত। (চলবে)
