আলো ডেস্ক এক্সক্লুসিভ: আলোচিত গাড়ি ও স্বর্ণ ব্যবসায়ী গোল্ডেন মনিরের সহযোগী সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিনের আগাম জামিন নামঞ্জুর করেছেন হাইকোর্ট। তবে, তাকে আগামী ৬ সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বিষয়ে আদেশের নির্ধারিত দিনে গতকাল মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিন আদালতে পিটিশনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক ছাড়াও ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আন্না খানম কলি ও মো. সাইফুর রহমান সিদ্দিকী সাইফ। শুনানি শেষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, মামলার এজাহারে বলা হয়েছে গোল্ডেন মনিরের অপকর্মের অন্যতম সহযোগী রিয়াজ উদ্দিন ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত সোনালী ব্যাংকের চতুর্থ শ্রেণির পিয়ন পদে কর্মরত ছিলেন।
তিনি সোনালী ব্যাংকের ঢাকায় এয়ারপোর্ট শাখায় কর্মরত থাকাকালে অভিযুক্ত মনির হোসেন ও ওরফে গোল্ডেন মনিরের সঙ্গে স্বর্ণ চোরাচালানের অবৈধ ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন এবং ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে দেন। অভিযুক্ত মনির হোসেন, তার সহোদর হায়দার আলী ও শফিকুলের পরস্পর যোগসাজশে সংঘবদ্ধ স্বর্ণ চোরাচালানের অপরাধলব্ধ আয়ে অপর অভিযুক্তদের সঙ্গে গ্যার্ন্ড জমজম টাওয়ার, প্লট নং ২৩ ও ২৪, সোনারগাঁও জনপদ রোড, সেক্টর ১৩, উত্তরা, ঢাকা- ১ বিঘা প্লটের ওপর ১৪ তলা বিল্ডিংয়ের ১/৪ অংশ, আলসাফা টাওয়ার নামে উত্তর ১১ নম্বর সেক্টরের প্লট নং -৪, রোড নং ১০/এ ৯০.২৫ কাঠার যৌথ প্লটের ৩৬.১ কাঠা সম্পদ অর্জন করে।
এছাড়া তার নামে শেয়ার ও মেসার্স সিয়াম ফ্যাব্রিকস লিমিটেড মালিকানা আছে। তার বিরুদ্ধে স্বর্গ চোরাচালানের অভিযোগে আরও দুটি মামলা রয়েছে। গত বছরের ২০ নভেম্বর রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় স্বর্ণ ও গাড়ি ব্যবসায়ী মনির হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনিরের বাসায় রাতভর অভিযান চালিয়ে অর্থ, অস্ত্র ও মাদকসহ তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
এ সময় তার বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার জব্দ করা হয়েছে। এরপর গত ১১ মে গোল্ডেন মনির ও তার সহযোগীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মুদ্রাপাচার প্রতিরোধ আইনে বাড্ডা থানার মামলা করেন সিআইডির পরিদর্শক মো. ইব্রাহিম হোসেন।
