আলো ডেস্ক এক্সক্লুসিভ: সরকার অযাচিতভাবে ডিজেল, কেরোসিন ও সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করেছে উল্লেখ করে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) সিপিবির নেতারা বলেন, ডিজেল, কেরোসিনসহ সব জ্বালানির দাম কমাতে হবে। এসময়ে তারা এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে গ্রেপ্তার ও আব্বাসীর দায়ের করা মিথ্যা মামলা দুটি প্রত্যাহারের দাবি জানান বক্তারা। গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন থেকে এসব দাবি জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, তেলের দাম বাড়ার ফলে এখন বাসে ভাড়া বৃদ্ধি হবে, বর্তমানে বাজারে দ্রব্যমূল্য জনগণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। এ বছরের করোনা মহামারিতে জনগণ কোনোরকম খেয়ে না খেয়ে জীবনধারণ করছে। সরকার সেদিকে দৃষ্টি না দিয়ে আবারও কেরোসিন ও সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করেছে। সরকার জনগণের কথা চিন্তা করে না।
এই সরকার জনগণের দায়িত্ব নিতে পারছে না। এই সরকার মুনাফাখোর, লুটেরা শ্রেণির সরকার। এই সরকার ব্যবসায়ীদের স্বার্থ দেখে, জনগণের স্বার্থ দেখে না। সরকার জনগণের কথা চিন্তা না করে ব্যবসায়ীদের স্বার্থ দেখে তারা আরও বলেন, ধর্ম ব্যবসায়ী এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী সমাজে ঘৃণা ছড়াচ্ছে।
হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে দাঙ্গা সৃষ্টি করছে। রাষ্ট্রের আইন অমান্য করে মদিনা সনদে দেশ চালানোর হুংকার দিচ্ছে। তিনি প্রকাশ্যে বলছেন দেশের প্রচলিত আইন তিনি মানেন না। এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী প্রকাশ্যে আল কায়েদা, আইএস ও তালেবানদের সমর্থন দিচ্ছে। বাংলাদেশে আল কায়েদার পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে।
এসব ডকুমেন্ট দিয়ে এপ্রিল মাসে পল্টন থানায় এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর নামে মার্কসবাদীর সভাপতি ডা. এম. এ সামাদ বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। সরকার আব্বাসীকে গ্রেপ্তার না করে, উল্টো আব্বাসীকে দিয়ে আমরা প্রতিবাদ করায় আমাদের নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় পরপর ২টি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। আমরা মনে করি, সরকার জঙ্গি ও মৌলবাদীদের মদদ দিচ্ছে।
আব্বাসীরা বাংলাদেশকে তালেবান রাষ্ট্র বানানোর জন্য প্রকাশ্যেই তৎপরতা চালাচ্ছে। অবিলম্বে কমিউনিস্ট পার্টির নেতাকর্মীদের নামে দায়ের করা মিল্যা মামলা প্রত্যাহার ও এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) সিপিবির সভাপতি ডা. এম. এ সামাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তালেবুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সদস্য মোস্তফা আল খালিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সামসুল হক সরকার প্রমুখ।
