আলো ডেস্ক: রাজধানীর শীর্ষ সন্ত্রাসীদের অন্যতম কিলার আব্বাস ওরফে আব্বাস আলীকে কেন কারাগারে রাখা হয়েছে তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে শীর্ষ সন্ত্রাসী কিলার আব্বাস ওরফে আব্বাস আলীর বিষয়ে মামলা সংক্রান্ত রেকর্ডের সব নথি তলব করেছেন আদালত।
আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের এই সংক্রান্ত রেকর্ড দাখিল করতে বলা হয়েছে। আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কিলার আব্বাসের আইনজীবী ব্যারিস্টার সাকির উদ্দিন আহমেদ বাপ্পী। শীর্ষ সন্ত্রাসী কিলার আব্বাস ওরফে আব্বাস আলীকে ১৯ বছর ধরে কারাগারে আটকে রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের শুনানি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমেদ রাজা। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার সাকির উদ্দিন আহমেদ বাপ্পী। হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় গত সোমবার কিলার আব্বাসের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাকির উদ্দিন আহমেদ বাপ্পী রিটটি করেন।
রিট আবেদনে আব্বাসকে আদালতের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে হাজির করা, তার ক্রিমিনাল রেকর্ড দাখিল ও পুলিশের ওয়েবসাইটে থাকা মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকা থেকে তার নাম অপসারণের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল। রিট আবেদনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, আইন মন্ত্রণালয় সচিব, পুলিশের আইজি, র্যাবের ডিজি, ডিএমপি কমিশনার, ঢাকা জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়। রিটকারী আইনজীবী সাকির আহমেদ বাপ্পী জানান, ১১টি মামলায় আব্বাস খালাস পেয়েছেন।
ডাকাতির অভিযোগে একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ২০১৬ সালে ওই মামলায়ও জামিন পান। তারপরও তাকে কারাগারে আটক রাখা হয়েছে বলে রিটটি করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, কিলার আব্বাসের পুরো নাম আব্বাস আলী। বাবার নাম সাহাবুদ্দীন ওরফে তমিজ উদ্দীন। তার পরিবার উত্তর কাফরুলে থাকে।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, রাজধানী ঢাকার ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর অন্যতম কিলার আব্বাস কারাবন্দি। ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনের সামনে ও রাজধানীর কাফরুল থানার কচুক্ষেত এলাকায় প্রকাশ্যে দুই ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় হত্যা মামলা করা হয় তার বিরুদ্ধে। ২০০৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার হন তিনি। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে-২-এ রয়েছেন।
