Skip to content
April 22, 2026
  • Facebook
  • Twitter
  • Instagram
  • Youtube
  • VK
  • LinkedIn
রাজশাহীর আলো

রাজশাহীর আলো

  • হোম
  • রাজশাহীর সংবাদ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • প্রযুক্তি
  • শিক্ষাঙ্গন
  • ইসলামিক
  • কৃষি
  • সম্পাদকীয়
  • অন্যান্য
    • সাহিত্য
      • শিরোনাম
    • চাকরি
    • টিপস
  • সারাদেশ

ফারাক্কা ব্যারাজের কারণে সেচ সংকটে ৬ কোটি মানুষ

নিউজডেস্ক May 15, 2025

সংগৃহীত

আলো ডেস্ক

ভারতের নির্মিত ফারাক্কা ব্যারাজের কারণে বাংলাদেশের অন্তত ৬ কোটি মানুষ সরাসরি সেচ সংকটে পড়েছেন। এর মধ্যে উত্তরের বরেন্দ্র অঞ্চলসহ উত্তরাঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় ২ কোটি। দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলের আরও ৪ কোটি মানুষ নানা মাত্রার পানির ঘাটতির কারণে ক্ষতির সম্মুখীন।বৃহস্পতিবার (১৫ মে) রাজশাহীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ১৬ মে ঐতিহাসিক ফারাক্কা লং মার্চ দিবস উপলক্ষে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ঐতিহাসিক ফারাক্কা লং মার্চের ৪৯তম বর্ষপূর্তি উদযাপন কমিটি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কমিটির আহ্বায়ক ও নদী গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী। এ সময় ফারাক্কা লং মার্চের অংশগ্রহণকারী মাহমুদ জামাল কাদেরীও উপস্থিত ছিলেন। মাহবুব সিদ্দিকী জানান, ফারাক্কার কারণে গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রজেক্টে পানি স্বল্পতার কারণে ৬৫ শতাংশ এলাকায় সেচ প্রদান দারুণভাবে ব্যহত হচ্ছে। উজান থেকে স্বাদুপানির সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশের দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ততা বেড়ে গেছে। এর ফলে জমির উর্বরতা শক্তি কমে আসছে।

বরেন্দ্র অঞ্চল বিশেষ করে উচ্চ বরেন্দ্রের একশত ভাগ গভীর নলকূপ অকেজো হয়ে গেছে। ২১ শতাংশ অগভীর নলকূপ প্রায় অকার্যকর। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নীচে নেমে যাওয়ায় হস্তচালিত পাম্প অকেজো হয়ে পড়েছে। ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিকের বিষাক্ত প্রভাবে উত্তর ও উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের অনেক জেলায় নলকূপের পানি খাবার অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এছাড়া বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলে লবণাক্ততার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় প্রচলিত ধান উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।

স্বাদু পানির অভাবে খুলনা ও সাতক্ষীরা অঞ্চলে সুন্দরবনের প্রাণবৈচিত্র ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। মাহবুব সিদ্দিকী বলেন, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ঐতিহাসিক ফারাক্কা লং মার্চ ষোল আনা সফল হয়েছিল। ফলশ্রুতিতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ফারাক্কা রাতারাতি একটি ইস্যুতে পরিণত হলো। দেশের অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে জাতীয় ঐক্যমত সৃষ্টি হলো একই ইস্যুকে ভিত্তি করে।

এদিকে ক্রমাগত আন্তর্জাতিক চাপ এবং দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক অবস্থা বিবেচনায় এনে তৎকালীন ভারতীয় শাসকেরা ১৯৭৭ সালে গঙ্গার পানি প্রবাহ নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি পাঁচসালা চুক্তি করতে বাধ্য হয়েছিল। ১৯৭৭ সালের চুক্তিতে শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশ উপযুক্ত পরিমাণ পানি পাওয়ার নিশ্চয়তা পেয়েছিল যা সঠিক ভাবেই কার্যকর ছিল। এই চুক্তি অনুযায়ী বছরের সব থেকে কম প্রবাহের সময়কাল এপ্রিলের শেষ ১০ দিন ফারাক্কার প্রায় ৫৫ হাজার কিউসেক পানির মধ্যে বাংলাদেশ পাবে ৩৪ হাজার ৫০০ কিউসেক পানি। অপরদিকে ভারত পাবে ২০ হাজার ৫০০ কিউসেক পানি।

কোন কারণে ফারাক্কা পয়েন্টে পানির পরিমাণ কমে এলে বাংলাদেশ তার প্রাপ্য অংশের ৮০ ভাগ অর্থাৎ ২৭ হাজার ৬০০ কিউসেক পানি পাবে। এটি ছিল চুক্তির গ্যারান্টি ক্লস। অর্থাৎ, ১৯৭৭ সালের এই চুক্তির ফলে ভারত গঙ্গা নদীর আন্তর্জাতিক চরিত্রকে স্বীকার করে নেয়। ৫ বছর মেয়াদি এই চুক্তিটি জাতিসংঘে অভিনন্দিত হয়েছিল। এরপর গঙ্গা-পদ্মা দিয়ে অনেক পানি গড়িয়েছে। যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক বসেছে।

বাংলাদেশ চেয়েছে এই যৌথ কমিশনে নেপালকে সম্পৃক্ত করতে কিন্তু ভারতীয় পক্ষের বৈরিতার কারণে ব্যর্থ হয়েছে প্রতিবারই। ১৯৮২ সালে সেই ৫ বছর মেয়াদি চুক্তি শেষ হলে বাংলাদেশ সেটি নবায়ন করতে চাইলে ও ভারতের আপত্তির কারণে সম্ভব হয়নি। হোসেইন মোহাম্মদ এরশাদের সময়ে ৭ অক্টোবর ১৯৮২ সালে নয়াদিল্লীতে গঙ্গার পানি প্রবাহ নিয়ে চুক্তি নবায়ণ না হয়ে একটি সমঝোতা স্মারকপত্র সাক্ষরিত হয়।

এই সমঝোতায় ১৯৭৭ সালের চুক্তি অনুযায়ী পানি বন্টনের ব্যবস্থা সমূহ বহাল থাকলেও শুষ্ক মৌসুমে ৮০ ভাগ পানি পাওয়ার গ্যারান্টি ক্লস বাদ দেয়া হলো। এর ফলে গঙ্গার পানি ভাগাভাগির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বার্থ চরমভাবে হানিকর পর্যায়ে পৌছে গেল। ১৯৭৭ সালে চুক্তি নিয়ে যে সাফল্য অর্জিত হয়েছিল তার জলাঞ্জলি দেওয়া হলো। এর পাশাপাশি ১৯৭৯ সালের নভেম্বর মাসে নদী কমিশনের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল নেপালকে অন্তর্ভুক্ত করে যৌথ নদী কমিশন গঠনের। কিন্তু ১৯৮২ সালের সমঝোতা স্মারকে সেটিও বাদ দেওয়া হলো। মাহবুব সিদ্দিকী বলেন, যতোই দিন গড়াচ্ছে ফারাক্কার বিরূপ প্রভাব আমাদের ভাবিয়ে তুলছে, আতঙ্কিত করছে।

প্রতি বছরে শুষ্ক মৌসুমের শুরুতে বাংলাদেশের গঙ্গা ও পদ্মা নদীতে চরের বিস্তার একটি নিয়মিত ঘটনা। এর পাশাপাশি গঙ্গা-পদ্মার শাখা-প্রশাখা সহ প্রায় শতাধিক নদ-নদী ক্রমান্বয়ে মৃত খালের রূপ নিচ্ছে। ইদানিংকালে শুষ্ক মওসুম শুরু হতে না হতেই গঙ্গা-পদ্মার প্রবাহ আশঙ্কাজনকভাবে কমতে দেখা যাচ্ছে। গঙ্গা একটি মরা গাঙের রূপ নিয়েছে। গঙ্গার বুকচিরে চলাচল করছে বালুবাহী ট্রাক, গরু-মহিষের গাড়ি।

১৯৭৫ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত গঙ্গা-পদ্মা সহ এর অসংখ্য শাখা-প্রশাখার প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার নাব্য নৌপথ বন্ধ এবং অকার্যকর হয়ে গেছে। ভারতের উত্তরাখন্দ, উত্তরপ্রদেশ ও বিহার এ সকল রাজ্যে সেচের জন্য গঙ্গার প্রায় চারশত পয়েন্ট থেকে অন্যায়ভাবে পানি সরিয়ে নিয়ে তাদের সেচ কাজে ব্যবহার করছে। এর মধ্যে বৃহদাকারের তিনটি ক্যানাল প্রজেক্ট ভারত ইতোমধ্যেই বাস্তবায়ন করেছে যেগুলো হলো-’আপার গঙ্গা ক্যানেল প্রজেক্ট’ ‘মধ্যগঙ্গা ক্যানেল প্রজেক্ট’ এবং ‘নিম্নগঙ্গা ক্যানেল প্রজেক্ট’। গঙ্গার উজানে হরিদ্বারের সামান্য ভাটি থেকে উত্তরাখন্ড, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লী এলাকা, বিহার, ঝাড়খণ্ডের কিছু এলাকাসহ পশ্চিম বঙ্গের বিশাল এলাকা জুড়ে গঙ্গা সিস্টেমের প্রবাহ থেকে এককভাবে পানি প্রত্যাহার করে অন্যায়ভাবে ভাটির বাংলাদেশকে বঞ্চিত করছে যার শত ভাগ দায় দায়িত্ব ভারতের। ফারাক্কার সরাসরি শিকার রাজশাহীর মানুষ উল্লেখ করে মাহবুব সিদ্দিকী বলেন, বিগত ৪০ বছরের ব্যবধানে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকায় গঙ্গার আয়তন নেমে এসেছে প্রায় অর্ধেকে।

পানির প্রবাহ কম থাকার কারণে তলদেশ ক্রমান্বয়ে ভরাট হতে চলেছে। জলজ প্রাণী বিশেষ করে কয়েক প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হয়ে গেছে। গঙ্গার ডলফিন ও ঘড়িয়াল আর দেখা যায় না। আগের মতো পদ্মায় ইলিশের ঝাঁক আর আসে না। মহাবিপর্যয়কর অবস্থায় গঙ্গা অববাহিকার প্রাণবৈচিত্র। নদীকেন্দ্রীক নানা ধরনের পেশা হারিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে নেমে এসেছে ভয়াবহ বিপর্যয়।’ সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১৯৮৪ সালের তুলনায় শুষ্ক মৌসুমে রাজশাহী অংশের গঙ্গায় আয়তন কমেছে ৫০ শতাংশ। পানির গভীরতা কমেছে ১৭ দশমিক ৮ শতাংশ।

প্রবাহ কমেছে ২৬ দশমিক ২ শতাংশ। দক্ষিণের সুন্দরবনে মিঠাপানির সরবরাহ কমেছে ৯০ শতাংশ। ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারিতে গঙ্গায় পানি প্রবাহের পরিমাণ ছিল ৯০,৭৩০ কিউসেক। ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারিতে পানি প্রবাহের পরিমাণ ছিল ৭৫,৪০৯ কিউসেক। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে গঙ্গায় পানি প্রবাহ কমেছে ১৫,৩২১ কিউসেক। যদিও সে বছর গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল পূর্ববর্তী বছর গুলোর তুলনায় ১৯ দশমিক ২ শতাংশ কম। ফারাক্কা সমস্যা উত্তোরণে কিছু করণীয়ও তুলে ধরা হয় সংবাদ সম্মেলনে। বলা হয়, ১৯৯৬ সালে সম্পাদিত বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি এখনও বলবৎ।

চুক্তি অনুযায়ী প্রকৃতই বাংলাদেশ পানি পাচ্ছে কিনা এবং কতটুকু পানি পাচ্ছে সেটি জনগণ অবহিত নয়। এখন থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জনগণকে তা জানাতে বাধ্য থাকবেন। ২০২৬ সালে গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ শেষ হবার পূর্বেই শক্তিশালী কমিটির দ্বারা এর মূল্যায়ন করতে হবে। নতুন চুক্তির জন্য হালনাগাদ তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে হোম ওয়ার্ক সম্পন্ন পূর্বক পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি গ্রহণ করা জরুরী।

নতুন চুক্তিতে ১৯৭৭ সালের চুক্তির অনরুপ গ্যারান্টিক্লস অবশ্যই অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। যৌথ নদী কমিশনে নেপালকে অন্তর্ভূক্ত করে নিয়মানুযায়ী যথাসময়ে বৈঠক করতে হবে। সরকারিভাবে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন নদীর সংখ্যা ৫৪টি যা মোটেই নির্ভুল নয়। প্রকৃত সংখ্যা এর প্রায় তিনগুণ অধিক। দেশের স্বার্থে অনতিবিলম্বে একটি বিশেষজ্ঞ দল গঠন করে সরেজমিন পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে নতুন করে তালিকা প্রস্তুত পূর্বক ভারতকে অবহিত করা সময়ের দাবি।

ভারত ইতোমধ্যেই এক তরফাভাবে আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প বাস্তবায়ণে গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা নদীর পানি প্রত্যাহার করতে শুরু করেছে যার বিরূপ প্রভাব ভাটির বাংলাদেশে পড়তে শুরু করেছে। পানি প্রত্যাহারে সৃষ্ট প্রভাব নিরূপনে পানি সম্পদ, কৃষি, পরিবেশ অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক নদী আইন বিশেষ পারদর্শী বিশেষজ্ঞদের নিয়ে অবিলম্বে একটি কমিটি গঠন করতে হবে।

এই কমিটি তথ্য উপাত্ত পর্যালোচনা করে একটি দলিল প্রণয়ন করবেন। প্রয়োজনে ভারত কর্তৃক নদী আইন লংঙ্ঘনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতের দ্বারস্থ হতে হবে। অভিন্ন নদীর পানি সমস্যা শুধুমাত্র বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় সমাধান সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক নদীর পানি সুষ্ঠু ব্যবহারের স্বার্থে জাতিসংঘ ও বিশ্ব ব্যাঙ্কের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, চীন, ভুটান ও মিয়ানমারকে নিয়ে একটি আঞ্চলিক পানি ফোরাম বা নদী কমিশন গঠন করতে হবে।

কমিশন এ অঞ্চলের নদী অববাহিকাতে পানির সুষম বন্টন, পরিবেশ সংরক্ষণ সহ নদী তীরবর্তী জনপদগুলোর আর্থিক ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। সমস্যা সমাধানে ভারতকে প্রতিনিয়ত চাপ সৃষ্টি করতে হবে যেন শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ সচল থাকে। এক্ষেত্রে আমাদের মধ্যে শক্তিশালী ঐক্যের প্রয়োজন। ভারত বাংলাদেশের ন্যায্য আহ্বানে সাড়া না দিলে এদেশের মানুষ ও প্রাণ প্রকৃতি রক্ষার স্বার্থে শক্তিশালী বন্ধু দেশের পরামর্শ ও সহযোগীতা গ্রহণে সচেষ্ট হতে হবে।

গঙ্গায় ফারাক্কা এবং তিস্তা ও বরাকসহ সকল অভিন্ন নদীর পানি প্রত্যাহারের ফলে এখন অবধি বাংলাদেশের আর্থিক কত ক্ষতি হয়েছে তা বিশেষজ্ঞ কমিটি দ্বারা নিরূপন করে ভারতের কাছে অবিলম্বে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে হবে। মাহবুব সিদ্দিকী জানান, ফারাক্কার সমস্যার সমাধানে করণীয় বিষয়ে দ্রুতই তারা অন্তর্বর্তী সরকারের সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টার সঙ্গে বসবেন।

Continue Reading

Previous: বিডিআর বিদ্রোহ: কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্ত ২৭ জন
Next: রাবি শিক্ষকের কক্ষ থেকে আপত্তিকর অবস্থায় ছাত্রীকে উদ্ধার

Related Stories

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মিনারুলের কবর জিয়ারতে রাসিক প্রশাসক
  • রাজশাহীর সংবাদ
  • সারাদেশ
  • স্লাইড

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মিনারুলের কবর জিয়ারতে রাসিক প্রশাসক

April 20, 2026
হড়গ্রাম রেলক্রসিং ফ্লাইওভারসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক
  • রাজশাহীর সংবাদ
  • সারাদেশ
  • স্লাইড

হড়গ্রাম রেলক্রসিং ফ্লাইওভারসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক

April 20, 2026
২০০ গরু বর্ডারের ওপারে, বিএসএফ জানলেও জানেনা বিজিবি
  • রাজশাহীর সংবাদ
  • শিরোনাম
  • সারাদেশ
  • স্লাইড

২০০ গরু বর্ডারের ওপারে, বিএসএফ জানলেও জানেনা বিজিবি

April 20, 2026

আমরা দিচ্ছি বাধাহীন ও নিরবিচ্ছিন্ন দুর্দান্ত গতির ইন্টারনেট মানেই DeshiBiT

আরও খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মিনারুলের কবর জিয়ারতে রাসিক প্রশাসক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মিনারুলের কবর জিয়ারতে রাসিক প্রশাসক

April 20, 2026
হড়গ্রাম রেলক্রসিং ফ্লাইওভারসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক

হড়গ্রাম রেলক্রসিং ফ্লাইওভারসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক

April 20, 2026
২০০ গরু বর্ডারের ওপারে, বিএসএফ জানলেও জানেনা বিজিবি

২০০ গরু বর্ডারের ওপারে, বিএসএফ জানলেও জানেনা বিজিবি

April 20, 2026
জেলা তাঁতী দলের পক্ষ থেকে জেলা পরিষদের প্রশাসককে ক্রেস্ট প্রদান l

জেলা তাঁতী দলের পক্ষ থেকে জেলা পরিষদের প্রশাসককে ক্রেস্ট প্রদান l

April 20, 2026
১৭ বছর পর রাজশাহী চেম্বার নির্বাচন, ১৫ ভোটে সভাপতি হাসেন আলী

১৭ বছর পর রাজশাহী চেম্বার নির্বাচন, ১৫ ভোটে সভাপতি হাসেন আলী

April 20, 2026
রাজশাহীতে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা নারী সিরিজের ট্রফি উন্মোচন, কাল মাঠে নামছে দুই দল l

রাজশাহীতে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা নারী সিরিজের ট্রফি উন্মোচন, কাল মাঠে নামছে দুই দল l

April 20, 2026
রাজশাহী সীমান্তে বিজিবি’র পৃথক অভিযানে ভারতীয় মাদকদ্রব্য ও ক্ষতিকারক সিরাপ জব্দ

রাজশাহী সীমান্তে বিজিবি’র পৃথক অভিযানে ভারতীয় মাদকদ্রব্য ও ক্ষতিকারক সিরাপ জব্দ

April 20, 2026
সেলিম সরকারের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঝলমলিয়ায় মানববন্ধন

সেলিম সরকারের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঝলমলিয়ায় মানববন্ধন

April 19, 2026

আরও খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মিনারুলের কবর জিয়ারতে রাসিক প্রশাসক
  • রাজশাহীর সংবাদ
  • সারাদেশ
  • স্লাইড

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মিনারুলের কবর জিয়ারতে রাসিক প্রশাসক

April 20, 2026
হড়গ্রাম রেলক্রসিং ফ্লাইওভারসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক
  • রাজশাহীর সংবাদ
  • সারাদেশ
  • স্লাইড

হড়গ্রাম রেলক্রসিং ফ্লাইওভারসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক

April 20, 2026
২০০ গরু বর্ডারের ওপারে, বিএসএফ জানলেও জানেনা বিজিবি
  • রাজশাহীর সংবাদ
  • শিরোনাম
  • সারাদেশ
  • স্লাইড

২০০ গরু বর্ডারের ওপারে, বিএসএফ জানলেও জানেনা বিজিবি

April 20, 2026
জেলা তাঁতী দলের পক্ষ থেকে জেলা পরিষদের প্রশাসককে ক্রেস্ট প্রদান l
  • রাজশাহীর সংবাদ
  • সারাদেশ
  • স্লাইড

জেলা তাঁতী দলের পক্ষ থেকে জেলা পরিষদের প্রশাসককে ক্রেস্ট প্রদান l

April 20, 2026

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: আরিফুর রহমান আরিফ
স
ম্পাদক ও প্রকাশক : মো: আজিবার রহমান
যুগ্ম সম্পাদক : আজিমা পারভীন টুকটুকি

নির্বাহী সম্পাদক : এস. এম. আব্দুল মুগনী নীরো

বার্তা সম্পাদক : মো: মাসুদ রানা

ব্যবস্থাপনা পরিচালক :
মো: মোমিন ইসলাম নিশান
যুগ্ম-ব্যবস্থাপনা পরিচালক :
কাজী আসাদুর রহমান ( টিটু )

 

উপদেষ্টা মন্ডলী:-
আলহাজ্ব আবু বাক্কার, ইব্রাহিম হায়দার, মোঃ মামনুর রশীদ, মোঃ মোর্শেদ কামাল রানা

প্রধান কার্যালয় : শালবাগান পাওয়ার হাউজ মোড়,সপুরা,চন্দ্রিমা, রাজশাহী – ৬২০৩। সম্পাদকীয় কার্যালয় :- ফোন:- ০৭২১-৭৬০৬২১, মোবাইল:- ০১৭১১-৩৭৮০৯৪। নিউজ পাঠানোর ঠিকানা: rajshahiralo@gmail.com

  • Contact
  • Facebook
  • Twitter
  • Instagram
  • Youtube
  • VK
  • LinkedIn
Copyright ©Rajshahir Alo All rights reserved. | DarkNews by AF themes.