আলো ডেস্ক: বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে নীলফামারী ও হবিগঞ্জ জেলায় ৫৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৪২৩ কোটি ৩৯ লাখ ৯৫ হাজার ৪৪০ টাকা। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে বাস্তবায়নাধীন ‘সহনশীল অবকাঠামোর মাধ্যমে অভিযোজন ও ঝুঁকি হ্রাস (রিভার) (প্রথম সংশোধিত)’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই সরকারি প্রধামিক বিদ্যালয় ক্যাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। গতকাল বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত দুটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাস্তবায়নাধীন ‘সহনশীল অবকাঠামোর মাধ্যমে অভিযোজন ও ঝুঁকি হ্রাস (রিভার) (প্রথম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় নীলফামারী ও হবিগঞ্জ জেলায় ৫৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের দুটি প্রস্তাব নিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ। মন্ত্রিসভা কমিটি প্রস্তাব দুটি পর্যালোচনা করে অনুমোদন দিয়েছে। জানা গেছে, একটি প্রস্তাবে নীলফামারী জেলায় ২৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে ১৮৬ কোটি ৪৮ লাখ ৯৫ হাজার ৭৫১ টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ কাজের জন্য যৌথভাবে বিডিই লিমিটেড ও ওয়েস্টার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রাইভেট) লিমিটেডকে নির্বাচিত করা হয়েছে। পৃথক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে হবিগঞ্জ জেলায় ২৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে ২৩৬ কোটি ৯০ লাখ ৯৯ হাজার ৬৮৯ টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ কাজের জন্য যৌথভাবে ওয়েস্টার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রাইভেট) লিমিটেড এবং এম/এস মমিনুল হককে নির্বাচিত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বন্যাপ্রবণ এলাকায় শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন এবং দুর্যোগকালীন সময়ে নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়গুলো বহুমুখী অবকাঠামো হিসেবে নির্মাণ করা হবে। বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় স্থানীয় মানুষ আশ্রয় নিতে পারবেন।
৪২৩ কোটি টাকা
