আ লো আ ন্ত র্জা তি ক ডে স্ক: ‘পশ্চিমা দেশগুলোকে একে অপরের বিরুদ্ধে খেলাচ্ছে চীন’
চীন বাণিজ্যিক স্বার্থকে কাজে লাগিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোকে একে অপরের বিরুদ্ধে ‘খেলাচ্ছে’ বলে মন্তব্য করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। তাই চীনের বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় সময় গত শনিবার গ্লোবাল টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। দক্ষিণ চীন সাগরে আধিপত্য ও বিশ্ব বাণিজ্যে দখল নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে চীনের সম্পর্ক দিন দিন আরও অবনতির দিকে। চীনকে রুখতে দুই সপ্তাহ আগেই একত্র হয়ে লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছে শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট জি-সেভেন।
এবার কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সরাসরি চীনকে মোকাবিলার জন্য পশ্চিমা দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়েছেন। সাক্ষাৎকারে ট্রুডো দাবি করেন, বাণিজ্যিক স্বার্থকে কাজে লাগিয়ে পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোকে একে অপরের বিরুদ্ধে খেলাচ্ছে চীন। এ অবস্থায় চীনের বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, পশ্চিমা দেশগুলোর একের অপরের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি করে তা থেকে বাণিজ্যিক স্বার্থকে কাজে লাগাচ্ছে চীন। আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। আর এ সুযোগে চীন বাণিজ্যিক স্বার্থকে কাজে লাগাচ্ছে। এ পরিস্থিতি থেকে বের হতে হলে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। চীন যেন আমাদের নিয়ে খেলতে না পারে, এজন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত।
২০১৮ সালে কানাডার পুলিশ চীনের টেলিকম জায়ান্ট কোম্পানি হুয়াওয়ের প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তা মেং ওয়ানঝুকে আটক করার পর থেকে চীনের সঙ্গে কানাডার সম্পর্কের অবনতি ঘটে।
মেংকে গ্রেপ্তারের পরপরই বেইজিং গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে কানাডার দুই নাগরিককে আটক করে। গেল সেপ্টেম্বরে মেং মার্কিন কৌসুলিদের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছালে তাকে মুক্তি দেয় কানাডা সরকার।
এর কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে কানাডার দুই নাগরিককেও মুক্তি দেয় বেইজিং। মেংয়ের গ্রেপ্তারের আগেও চীনের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ধারাবাহিকভাবে প্রশ্ন তুলে এসেছে কানাডা।
এরপর থেকে দুই দেশের সম্পর্কে দূরত্ব আরও বাড়তে থাকে। এদিকে চলতি মাসের শুরুর দিকে কানাডা জানায়, অন্য মিত্র দেশগুলোর মতো কানাডাও বেইজিংয়ে অনুষ্ঠেয় ২০২২ সালের শীতকালীন অলিম্পিক কূটনৈতিকভাবে বয়কট করতে যাচ্ছে।
