আলো ডেস্ক: পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ (নৌকা) সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীকে সমর্থন করায় এক গৃহবধূকে (২৬) ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ৬ যুবকের বিরুদ্ধে।
গত বুধবার দিবাগত রাত ১ টার দিকে ইউনিয়নের ইটবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে ওই গৃহবধূ তার তিন মাসের সন্তান নিয়ে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার রাত ১টার দিকে লালন, জাহাঙ্গীর ফারাজী, মামুন হাওলাদার, সোহাগ ফরাজী, নিজাম ফরাজী ও আলমগীর ফরাজী নামের ৬ যুবক ওই গৃহবধূর বাড়িতে যান।
তারা দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন এবং গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। একই সঙ্গে তারা ঘরের আলমারি ভেঙে স্বর্নালংকার লুট করেন। ওই গৃহবধূ চিৎকার করতে শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে।
এ সময় অভিযুক্তরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। গতকাল বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী গৃহবধূ বলেন, নৌকার সমর্থন করায় কি আমাদের অপরাধ? মিথ্যা মামলায় আমার স্বামী বর্তমানে কারাগারে আছেন। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে না আসলে বড় অঘটন ঘটে যেতো।
নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থী সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু বলেন, বর্তমানে আমার কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলা হচ্ছে। মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানি করা হচ্ছে তাদের। ওই গৃহবধূর স্বামীকে ১৫ দিন আগে একটি ভুয়া মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গত বুধবার রাতে ওই গৃহবধূ বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালিয়েছে প্রতিপক্ষের লোকজন। বর্তমানে গৃহবধূ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এ ছাড়া কয়েকদিন আগে নৌকার কর্মী মনির বয়াতী নামের এক কৃষকের জ্যান্ত গুরুর পা ও মাথা কেটে নেওয়া হয়েছে।
এসব অপকর্ম যারা ঘটিয়েছে তারা সবাই নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সুজন মোল্লার অনুসারী। তারা মুলত বিএনপির লোক। টিয়াখালী ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সুজন মোল্লা বলেন, বর্তমানে আমি ঢাকায় রয়েছি।
যদি কেউ অন্যায় করে তাহলে তার বিচার হওয়া উচিত। কলাপাড়া থানার ওসি মো.জসিম বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
