আলো ডেস্ক: করোনা আক্রান্ত দেশের প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর কামনায় দোয়া মোনাজাত করা হয়েছে। এ সময় প্রধান বিচারপরি স্ত্রী, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল, আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীরদের সুস্থতা কামনা করা হয়।
গতকাল শুক্রবার জুমার নামাজের পর সুপ্রিম কোর্ট জামে মসজিদের খতিব দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছিলেন, চিকিৎসাধীন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও তার স্ত্রী ভালো আছেন।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করে প্রধান বিচারপতির শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, করোনায় আক্রান্ত রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন গতকাল শুক্রবার বিকেলে জানান, তিনি বাসায় এবং ভালো আছেন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে বুধবার রাত থেকে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। এর আগে একদিন আগে মঙ্গলবার হাসপাতালে ভর্তি হন তার স্ত্রী।
তিনিও করোনায় আক্রান্ত। তবে তারা সুস্থ আছেন। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন পরিস্থিতির মধ্যেই করোনায় আক্রান্ত হন সুপ্রিম কোর্টের অন্তত ১৩ জন বিচারপতি। আক্রান্ত হয়েছেন অধস্তন আদালতের ৩৬ জন বিচারক। একই সময়ে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদসহ আইনজীবীরা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
এমন প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার আবার ভার্চুয়ালি বিচারকাজ পরিচালনা করার কথা বলেছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। ওই দিন প্রধান বিচারপতি বলেন, চারিদিকে করোনা সংক্রমণের যে অবস্থা, তাতে মনে হচ্ছে আবার ভার্চুয়ালি আদালত পরিচালনায় যেতে হবে। এরইমধ্যে আমাদের (সুপ্রিম কোর্ট) ১৩ জন বিচারপতি, নিম্ন আদালতের ৩৬ জন বিচারক আক্রান্ত হয়েছেন।
পরদিন বুধবার থেকে সুপ্রিম কোর্টের বিচার কাজ ভার্চুয়ালি শুরু হয়। নতুন বছরের শুরু থেকেই ধীরে ধীরে দেশে করোনার সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। বিশেষত এক সপ্তাহ ধরে সংক্রমণ বাড়ছেই। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৩ জানুয়ারি থেকে সারাদেশে ১১ দফা বিধিনিষেধ কার্যকর করছে সরকার।
