আলো জা তী য় ডেস্ক: পণ্যের ‘হালাল সার্টিফিকেট’ দেওয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। গতকাল সোমবার অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের তিনটি প্রতিষ্ঠানের নয়টি পণ্যের অনুকূলে হালাল সার্টিফিকেট দেওয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক নজরুল আনোয়ার বলেন, বিএসটিআই পণ্যের অনুকূলে হালাল সার্টিফিকেট দেওয়ার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করলো।
হালাল সংক্রান্ত তিনটি আন্তর্জাতিক মানকে বাংলাদেশ মান হিসেবে (বিডিএস ওআইসি/এসএমআইআইসি ১:২০২১, বিডিএস ওআইসি/এসএমআইআইসি ২:২০২১ ও বিডিএস ওআইসি/এসএমআইআইসি ২৪:২০২১) অ্যাডপ্ট করেছে। এ মান অনুসারে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পণ্যের হালাল সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর হালাল মানসনদবিষয়ক সংস্থা স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড মেট্রোলোজি ইনস্টিটিউট ফর ইসলামিক কান্ট্রিসের (স্মিক) সদস্য হিসেবে ও দেশীয় পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণের জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
হালাল সার্টিফিকেট দেওয়ার প্রক্রিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর, জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর, এফবিসিসিআই, বিসিআই, ডিসিসিআই, ক্যাব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, ফার্মেসি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ ও মাদ্রাসা সা-ই-আলীয়া, কওমি মাদ্রাসার বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। বিএসটিআই থেকে দেওয়ার ফলে ব্যবসায়ীরা একটি পয়েন্ট থেকে পণ্যের মান সনদ ও হালাল সার্টিফিকেট পাবেন বলেও জানান তিনি।
এসময় অনুষ্ঠানে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের (ইউনিট-১) পক্ষে নির্বাহী পরিচালক মদদ আলী ভিরানী, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের (ইউনিট-২) পক্ষে পরিচালক তানভীর আলী ও অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের (ইউনিট-৩) পক্ষে সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার নজরুল ইসলাম হালাল সার্টিফিকেট নেন।
বিএসটিআই থেকে হালাল সার্টিফিকেট নেওয়া প্রতিষ্ঠান ও পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের (ইউনিট-১) ওয়েফার বিস্কুট, লজেন্স, প্লেন কেক ও টফি। অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের (ইউনিট-২) ওয়েফার বিস্কুট, চকলেট ও বিস্কুট এবং অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের (ইউনিট-৩) ইনস্ট্যান্ট নুডলস ও চিপস/ক্রেকার্স। গত বছরের নভেম্বরে বিএসটিআইকে হালাল সার্টিফিকেট দেওয়ার ক্ষমতা দিয়ে শিল্প মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল। এরপর ছয় মাস বাদে প্রথম কোনো প্রতিষ্ঠানকে হালাল সার্টিফিকেট দিলো সংস্থাটি।
