আলো ডেস্ক: রমজানে ফিলিস্তিনের আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি পুলিশ বাহিনীর বর্বর হামলায় হতাহতের ঘটনার নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) মন্তব্য করেছে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির অন্তরায় ইসরায়েল ও তার সমর্থক রাষ্ট্রগুলো। গতকাল শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া এ মন্তব্য করেন। তারা বলেন, মুসলমানদের প্রথম কিবলা মসজিদ বায়তুল আকসা।
বিশ্বের মুসলমানদের হৃদয়ে এ মসজিদের প্রতি আবেগ ও ভালোবাসা রয়েছে। রমজান মাসে এ মসজিদে হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করে ইসরায়েলি বাহিনী মুসলমানদের হৃদয়ে চরম আঘাত করেছে। নিরস্ত্র রোজাদার মুসল্লীদের ওপর যে হামলা চালানো হলো তা জঘন্য বর্বরতা ছাড়া আর কিছুই নয়। নেতারা বলেন, ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের আগ্রাসনের সময়ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর নেতারা তাদের স্বার্থ রক্ষায় প্রভুদের খুশি রাখতে মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন।
নামাজরত মুসল্লি ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ইসরায়েলের আক্রমণ আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের চরম লংঘন হলেও কেন মুসলিমবিশ্ব ও মানবতাবাদী রাষ্ট্রগুলো নিরব? তারা বলেন, যারা ফিলিস্তিনিদের কয়েক দশকের ভয়ংকর দুর্দশা থেকে মুক্তি দিয়ে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করতে পারতেন সেসব মুসলিম শাসকদের মধ্যে রয়েছে ভয়ংকর অনৈক্য ও অবিশ্বাস।
আর অধিকাংশই ফিলিস্তিনিদের তাদের নিজ ভূখণ্ড থেকে বিতাড়নকারী, নির্যাতনকারী, এমনকি মুসলিমদের প্রথম কিবলা আল আকসা মসজিদে আক্রমণকারী ইসরায়েল ও তাদের দোসরদের বন্ধু বানিয়েছেন নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে। তাই ইসরায়েলের ভয়ংকর আগ্রাসনে অসহায়, বিপন্ন ফিলিস্তিনিদের আহ্বানে সাড়া না দিয়ে নিরাপদে সাইডলাইনে বসে নীরবতা পালন করছেন।
নেতারা অবিলম্বে ওআইসি, জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে ইসরায়েলকে এ ব্যাপারে জবাবদিহি করার জন্য আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইসরায়েল তার অবৈধ দখলদারিত্ব বজায় রাখার জন্য ফিলিস্তিনি মুসলমানদের ওপর এভাবে একের পর এক আগ্রাসন চালাচ্ছে। মসজিদুল আকসায় ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করে সেখান থেকে মুসল্লিদের বিতাড়িত করার চক্রান্ত করছে। কিন্তু মুসলমানরা তাদের এ পবিত্র মসজিদকে কখনো ছেড়ে যাবে না।
