আলো ডেস্ক: প্রায় ১৪ বছর আগে সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার অভিযোগ গঠন বাতিল চেয়ে কক্সবাজার-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির করা আবেদন শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আদেশ দেওয়ার জন্য আগামী ২২ মে দিন ঠিক করেছেন আদালত। এই সময়ের মধ্যে আবদুর রহমান বদির মামলার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে দেওয়া আদেশের কপি এফিডেবিট আকারে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তবে, এই মামলায় বিচারিক (নিম্ন) আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আজন্দের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ২০০৭ সালের সম্পদের তথ্য গোপন, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলার অভিযোগ গঠন বাতিল চেয়ে সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির করা আবেদনের শুনানি শেষ। আদেশ ২২ মে।
আদালতে এদিন বদির পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম সোহেল। দুদকের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। এর আগে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর সাবেক এমপি বদির পক্ষে প্রথমে অভিযোগ গঠন বাতিলের আবেদন করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ আর হাসানুজ্জামান। পরে সম্পূরক আবেদন করেন শামসুর রহমান।
সেসময় দুদকের আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান জানান, গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর আবেদনটি জমা দেওয়া হয়েছে। ৫৬ লাখ ১১ হাজার ৫০০ টাকার সম্পদ গোপন ও ৭৯ লাখ ৩৭ হাজার ৭৯৭ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর দুদক চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বদির বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। দীর্ঘদিন স্থগিত থাকার পর ২০১৭ সালে এ মামলার কার্যক্রম সচল হয়। মামলায় ২০২০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর তার অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠন করে আদেশ দেন চট্টগ্রামের বিচারিক আদালত। ওই আদেশ বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিভিশন করেন বদি। মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।
