পবা প্রতিনিধি
রাজশাহীর পবার দারুশা কলেজের নবনির্বাচিত ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও অধ্যক্ষসহ শিক্ষকমন্ডলী এবং সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিনের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার শিক্ষকমন্ডলী সংসদ সদস্যের সাথে এ মতবিনিময় করেন।
মতবিনিময় সভায় শিক্ষকগণ কলেজের অনেক সমস্যার কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি তারা শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে কলেজে কম্পিউটার ল্যাব দাবি করেন। কলেজ অধ্যক্ষ রেহেনা বেগম জানান, স্থানীয় জনগণের একে অপরের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ ও দলাদলিতে দীর্ঘদিন ধরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন সম্ভব হয়নি। যে কারণে দীর্ঘ ১০ বছর এই কলেজের উন্নয়ন হয়নি। এমনকি শিক্ষার পরিবেশ ও মানের ক্ষেত্রে পিছিয়ে যাচ্ছে। সংসদ সদস্যে সহযোগিতায় আমরা পূর্ণাঙ্গ কমিটি পেয়ে আনন্দ ও স্বস্তিবোধ করছি।
সভায় সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন বলেন, দারুশা এলাকার রাস্তা-ঘাট এবং প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবত দারুশা কলেজে কমিটি না থাকায় সব ধরণের উন্নয়ন ও সহযোগিতা থেকে পিছিয়ে আছে। আগামীতে এ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা স্থানীয় রাজনীতি ও কোন্দলে জড়াবেন না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সকল কিছুর উর্ধ্বে। সকলকে একসাথে নিয়ে কলেজের সার্বিক উন্নয়ন করতে হবে।
এদিকে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এতদিন কলেজের ভিতরে অন্তদ্বন্দ ও স্থানীয় কোন্দলের কারণে উন্নয়ন হয়নি। বর্তমানে কমিটি গঠন নিয়েই অনেকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে হীনস্বার্থে অপপ্রচার চালাচ্ছে। শুনেছি নগরীতে তারা সংবাদ সম্মেলনে অনেক মিথ্যাচার করেছে। যা আদৌও সঠিক নয়। দারুশা কলেজ একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত। অথচ তারা বলেছেন কলেজটি ডিগ্রীতে উন্নীত করে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে টাকা লুটপাটের কথা। কলেজ ডিগ্রীই হলো না আর শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে এখনই অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে তারা। এছাড়াও বর্তমানে শিক্ষক নিয়োগ হয় সরকারিভাবে। যেখানে অর্থ লুটপাটের প্রশ্নই আসে না।
কলেজ শিক্ষক আরশেদ আলী, আসাদুর রহমান, অসিত কুমার, আবু হেনা মো. নোমান বলেন, দীর্ঘ দশ বছর এডহক কমিটি থাকায় অনেক বিড়ম্বনা পোয়াতে হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ কমিটি পেয়ে আমরা আনন্দিত। এ সময় কলেজের ম্যানেজিং কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি ইকবাল আহমেদ, জেলা যুবলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন আল রশিদ মাসুমসহ কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও শিক্ষকমন্ডলী উপস্থিত ছিলেন।
