আলো ডেস্ক: ঢাকাস্থ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের আধুনিকায়ন কাজের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। এ সময় যুব ও ক্রীড়া সচিব মেজবাহ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মাধ্যমে প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের অধিকতর উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজ দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য একটি স্মরণীয় দিন। জাতির পিতার নামে নির্মিত দেশের অন্যতম স্টেডিয়াম বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিকায়ন ও সংস্কার কাজের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করা হলো।
আজকের এ মাহেন্দ্রক্ষণে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই, যিনি এ স্টেডিয়ামের আধুনিকায়ন ও সংস্কার কাজের জন্য প্রায় ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করেছেন। আমরা সত্যই ভাগ্যবান এমন একজন ক্রীড়াবান্ধব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি। খেলাধুলার উন্নয়নে আমরা যখনই যা চাচ্ছি, তার চেয়ে বেশি দিয়ে চলেছেন আমাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, আমরা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের আধুনিকায়নের কাজ করে চলেছি। স্টেডিয়ামটিকে অত্যাধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রধানমন্ত্রী নিয়মিতই বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করছেন। নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন।
দেশের প্রধান এ স্টেডিয়ামটির আধুনিকায়ন কাজের মধ্যে রয়েছে- গ্যালারির সেড নির্মাণ, ফ্লাড লাইট সরবরাহ ও স্থাপন, অ্যাথলেটিকস ট্র্যাক স্থাপন, মাঠ উন্নয়নসহ স্প্রিংলার সিস্টেম স্থাপন, ডিজিটাল বিজ্ঞাপন বোর্ড সরবরাহ ও স্থাপন (খেলার মাঠের দুইদিকে), এলইডি জায়ান্ট স্ক্রিন উন্নয়ন এবং নতুন মডিউল স্থাপন, সিসিটিভি, পিএ সিস্টেম এবং জেনারেটর সরবরাহ ও স্থাপন, বৈদ্যুতিক উপ-কেন্দ্রের জন্য যন্ত্রপাতিসহ নিরাপত্তা বাতি সরবরাহ ও স্থাপন ইত্যাদি।
এছাড়াও স্টেডিয়ামের উন্নয়ন কাজের মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক ২টি ড্রেসিংরুম আধুনিকায়ন, প্রেসিডেন্ট বক্স আধুনিকায়ন, মিডিয়া সেন্টার আধুনিকায়ন, ড্রেসিংরুম আধুনিকায়ন, ব্যায়ামাগারের সরঞ্জামাদি সরবরাহ ও রংকরণ, নতুন ৭টি টয়লেট ব্লক নির্মাণসহ গ্যালারিতে বিদ্যমান টয়লেটসমূহ এবং ফুটকোর্টের উন্নয়ন, রাস্তা কার্পেটিং, সিল কোর্ট, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, সীমানা প্রাচীরের ওপর গ্রিল ফেন্সিং, সিরামিক ব্রিক ও পেভিং ব্রিক স্থাপন কাজ, গ্যালারির ওপর চেয়ার স্থাপন, সাধারণ গ্যালারির জন্য চেয়ার স্থাপন ও ভিআইপি হাতলওয়ালা ফোল্ডিং চেয়ার স্থাপন। অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
