আলো ডেস্ক: ছাত্রদলে কর্মসূচির মাধ্যমে গণতন্ত্র ফেরানোর আন্দোলনের সূচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, ছাত্রদলের মিছিলের মাধ্যমেই গণতন্ত্র ফেরানোর আন্দোলনের সূচনা হয়েছে, ঐক্যবদ্ধ হতে শুরু করেছে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলো। ছাত্রদলের এ আন্দোলনের ধারা এগিয়ে নিতে হবে।
গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ছাত্রদলের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এ প্রতিবাদ সমাবেশ করে। ছাত্রদলের ওপর হামলায় জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়ে খন্দকার মোশাররফ বলেন, এ হামলার পেছনে সরকারের ইন্ধন রয়েছে।
কোনো পথ খুঁজে না পেয়ে সরকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু করেছে। ইভিএম ভোট মেনে নেওয়া হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, ব্যালট পেপারে জনগণ নিজের হাতে ভোট দেবে এমন ব্যবস্থা করার জন্য সরকারকে বাধ্য করা হবে। খন্দকার মোশাররফ বলেন, যদি শ্রীলঙ্কার মতো অবস্থা দেখতে না চান, তাহলে অনতিবিলম্বে পদত্যাগ করুন। তা না করলে ঢাকার মাটিতে আরও একটি গণঅভ্যুত্থান হবে। তিনি বলেন, এ দেশে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। সেই সরকার খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যবস্থা করবে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরে এসে স্বাধীনভাবে রাজনীতি করার ব্যবস্থা করবে। তারপর এদেশে নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা নিশ্চিত হবে। ঢাকা উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমানউল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, যুবদলের সদ্য সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, যুদবলের নতুন সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কৃষকদলের সভাপতি হাসান জাফির তুহিন, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভুইয়া জুয়েল প্রমুখ।
