আলো ডেস্ক: সরকার চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আড়াল করতেই গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গোটা জাঁতি যখন শোকে কাঁতর, সেই সময়ে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে তিনি দেশের মানুষকে আরও শোকাচ্ছন্ন করেছেন। এই সরকার ক্ষমতায় না থাকলে এমন ঘটনা ঘটতো না। মানুষ ঝলছে যাচ্ছে, পুড়ছে সরকার গ্যাসের দাম বাড়াচ্ছে। সেই বিখ্যাত প্রবাদ রোম ‘পুড়ছে আর বাঁশি বাজাচ্ছেন সম্রাট হিরো’। প্রধানমন্ত্রী বাঁশি বাজাচ্ছেন আর গোটা জাতি পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছেন।
গতকাল সোমবার সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মহিলা দলের উদ্যোগে, গ্যাস বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, আপনি কত বিবেকহীন এত বড় ট্রাজেডি এত বিয়োগান্ত ঘটনা, গোটা জাঁতি যখন মূর্চমান এই হৃদয় বিদারক ঘটনায় সেটা আড়াল করার জন্য আপনি জাতিকে উপহার দিলেন গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করে। এই গ্যাস উৎপাদন পর্যায়ে দাম বাড়ার কারণে এখন বিদ্যুতের দাম বাড়বে, কৃষি উৎপাদনের দাম বাড়বে। শিল্প উৎপাদনের দাম বাড়বে, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়বে সেটা ব্যক্তিগত পর্যায়ে দূর্বীসহ হয়ে উঠবে।
এই প্রধানমন্ত্রী এমনই। তিনি সোনার সিংহাসনে বসে আনন্দ লাভ করেন যখন দেখেন দেশের জনগণ কঠিন কষ্টের মধ্যে আছেন, দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন। দাম বাড়লে তার যায় আসে না তার দলের লোকজন দেশে বিদেশে তো অট্রলিকা বানাচ্ছে। তিনি বলেন, গ্যাসের দাম যেভাবে বৃদ্ধি করা হলো তাতে যারা সাধারণ চাকরিজীবী তাদের জন্য গ্যাসের চুলা জ্বালানো কঠিন ব্যাপার হয়ে গেলো। এটার একটা চেইন রিয়েকশন তৈরি হবে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে। মহিলা দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়ে বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, আপনাদের আরও ইস্পাত কঠিন ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সরকারের সব ব্যারিকেড ভাঙতে হবে।
এর আগে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হলে পুলিশ বাঁধা দেয়। পরে পুলিশের সঙ্গে মহিলা দলের নেতাকর্মীদের ধাক্কাধাক্কি হয়। বিক্ষোভ মিছিলে মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান আহমেদ, নায়েবা ইউসূফ, অ্যাড, রুনা লায়লা, রুমা আক্তার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।আলো ডেস্ক: সরকার চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা আড়াল করতেই গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গোটা জাঁতি যখন শোকে কাঁতর, সেই সময়ে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে তিনি দেশের মানুষকে আরও শোকাচ্ছন্ন করেছেন। এই সরকার ক্ষমতায় না থাকলে এমন ঘটনা ঘটতো না। মানুষ ঝলছে যাচ্ছে, পুড়ছে সরকার গ্যাসের দাম বাড়াচ্ছে। সেই বিখ্যাত প্রবাদ রোম ‘পুড়ছে আর বাঁশি বাজাচ্ছেন সম্রাট হিরো’।
প্রধানমন্ত্রী বাঁশি বাজাচ্ছেন আর গোটা জাতি পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছেন। গতকাল সোমবার সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মহিলা দলের উদ্যোগে, গ্যাস বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে রিজভী বলেন, আপনি কত বিবেকহীন এত বড় ট্রাজেডি এত বিয়োগান্ত ঘটনা, গোটা জাঁতি যখন মূর্চমান এই হৃদয় বিদারক ঘটনায় সেটা আড়াল করার জন্য আপনি জাতিকে উপহার দিলেন গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করে। এই গ্যাস উৎপাদন পর্যায়ে দাম বাড়ার কারণে এখন বিদ্যুতের দাম বাড়বে, কৃষি উৎপাদনের দাম বাড়বে।
শিল্প উৎপাদনের দাম বাড়বে, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়বে সেটা ব্যক্তিগত পর্যায়ে দূর্বীসহ হয়ে উঠবে। এই প্রধানমন্ত্রী এমনই। তিনি সোনার সিংহাসনে বসে আনন্দ লাভ করেন যখন দেখেন দেশের জনগণ কঠিন কষ্টের মধ্যে আছেন, দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন। দাম বাড়লে তার যায় আসে না তার দলের লোকজন দেশে বিদেশে তো অট্রলিকা বানাচ্ছে। তিনি বলেন, গ্যাসের দাম যেভাবে বৃদ্ধি করা হলো তাতে যারা সাধারণ চাকরিজীবী তাদের জন্য গ্যাসের চুলা জ্বালানো কঠিন ব্যাপার হয়ে গেলো।
এটার একটা চেইন রিয়েকশন তৈরি হবে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে। মহিলা দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়ে বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, আপনাদের আরও ইস্পাত কঠিন ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সরকারের সব ব্যারিকেড ভাঙতে হবে। এর আগে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হলে পুলিশ বাঁধা দেয়। পরে পুলিশের সঙ্গে মহিলা দলের নেতাকর্মীদের ধাক্কাধাক্কি হয়। বিক্ষোভ মিছিলে মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান আহমেদ, নায়েবা ইউসূফ, অ্যাড, রুনা লায়লা, রুমা আক্তার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
