আলো ডেস্ক: আমরা গণতন্ত্রের সংগ্রামে ছিলাম। কিন্তু আজ আমাদের দেশে গণতন্ত্র নেই। আমরা এক দুঃশাসনের ভেতরে আছি। এই স্বৈরাচারী সরকার গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে শক্তিশালী করতে আমরা দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবো। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে এক বর্ধিত সভায় এসব কথা বলেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) নেতারা। সভায় এলডিপির মহাসচিব সাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, বর্তমান সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাব থেকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ফিরিয়ে আনতে আমরা আন্দোলন করছি।
আমরা জাতীয়তাবাদী শক্তির সঙ্গে রাজপথে আন্দোলনে আছি। বিএনপিকে আহবান করবো, তারা যেন তাদের ঘরের শত্রুকে চিনতে পারে। আমরা বিএনপির যেকোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রাজপথে থাকবো। দলটির সহ-সভাপতি আবদুল গনি বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা রাজপথে আন্দোলন করছি। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির ফলে মানুষ না খেয়ে থাকছে। পদ্মা সেতু, উড়ালসেতু এসব করে কোনোদিন মানুষের উন্নয়ন করা সম্ভব নয়।
আপনারা ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী ভাবছেন। জনগণ আপনাদের দুঃশাসন থেকে মুক্তি চায়। এ সময় এলডিপির নেতা আবদুল করিম আব্বাসী বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য আমরাও অনেকটা দায়ী। খালেদা জিয়ার নানা সুযোগ-সুবিধা নিয়েও দলের ভেতরে কিছু মানুষ বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। আজকে দেশে এই যে দুর্নীতি, অরাজকতা, হত্যা ও ঘুম চলছে এরকম পরিস্থিতি ব্রিটিশ আমল, পাকিস্তান আমলেও আগে কখনো দেখিনি। সভায় আরও বক্তব্য দেন এলডিপির যুগ্ম মহাসচিব আবুল বাশার, তমিজউদ্দিন টিটু, এ এস এম মহিউদ্দিন, ও সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারী রাজুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
