আলো ডেস্ক: ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার কুরনী এলাকায় ট্রাক, পিকআপভ্যান, যাত্রীবাহী বাস ও ডাম্প ট্রাকের সংঘর্ষে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এতে পিকআপচালক ও শিশুসহ কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৫ জনকে কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্যের ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়েছে। গতকাল শুক্রবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, মহাসড়কের কুরনী নামক স্থানে বিকল হওয়া বালুভর্তি একটি ট্রাককে ওভারটেক করার সময় দ্রুতগতির একটি বাস পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটির বাম পাশ দুমড়েমুচড়ে গিয়ে একজন নিহত এবং কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন।
বাসের পেছনে থাকা ডাম্প ট্রাকটি হঠাৎ ব্রেক করায় পেছনে থাকা মুরগি ভর্তি পিকআপভ্যান ধাক্কা দেয়। এতে পিকআপভ্যানটিও দুমড়েমুচড়ে যায়। এবং পিকআপচালকসহ চারজন আহত হন। এতে ঢাকার দিকে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস মির্জাপুর অফিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। সোয়া ছয়টার দিকে পুলিশ রেকার দিয়ে বাস, পিকআপভ্যান ও বালুভর্তি ট্রাক সরিয়ে নিলে সাড়ে ছয়টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ফতেপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শুভ আহমেদ জানান, সকালে বাড়ির সামনে বিকট শব্দ শুনতে পেয়ে মহাসড়কে এসে দুর্ঘটনাটি দেখেন এবং আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। গোড়াই হাইওয়ে থানার ওসি মোল্লা টুটুল জানান, নিহতের পরিচয় পাওয়া যায়নি। মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। অন্যদিকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে কমলা রানী (৭০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকালে পৌর সভার ত্রিমোহন জেলেপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত কমলা রানী একই এলাকার মোহন বাসী রাজবংশীর স্ত্রী। তিনি প্রতিদিন রেললাইনে টোকাইয়ের কাজ করতেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কমলা রানী প্রতিদিন সকালে রেললাইনের পাশে মানুষের ফেলে দেওয়া প্লাটিকের বর্জ্য সংগ্রহ করেন। গতকাল শুক্রবার ভোরেও তিনি রেললাইনে প্লাস্টিক সংগ্রহ করতে যান। এ সময় সেখান দিয়ে যাওয়া একটি ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মারা যান কমলা রানী। মির্জাপুর ট্রেন স্টেশনের মাস্টার কামরুল হাসান জানান, ঘটনার পরপরই নিহতের পরিবারের লোকজন লাশ বাড়ি নিয়ে গেছেন।
