আলো ডেস্ক: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, হেফাজতে ইসলামকে বলব, আপনারা আপনাদের মতো মাঠে নামেন। দেশটা আমাদের সবাইকে মিলে রক্ষা করতে হবে। আমাদের অনেক সহকর্মী এবং হাজার রক্তের বিনিময়ে পাওয়া এই স্বাধীনতা। তাই সকলে মিলে এ দেশটাকে ফ্যাসিবাদী স্বৈরাশাসকের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। আমরা যেমন বাংলাদেশ দেখতে চেয়েছি তেমন-ই গড়ব।
তাই হঠাও হাসিনা বাঁচাও বাংলাদেশ। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আবদুস সালাম হলে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন তিনি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। গয়েশ্বর বলেন, সরকারের অনুমতির অপেক্ষায় জনগণ নেই। সমাবেশ বিএনপি করবেই। ১০ তারিখে কি হবে? আওয়ামী লীগ সরকারকে কিভাবে তাড়াব সেটা ১০ তারিখে জানিয়ে দেব। সেদিন বলে দেব কি কি করব।
তবে জানিয়েই করব। অজ্ঞাতে কোনো কাজ করব না। তিনি বলেন, ১০ তারিখের সমাবেশ করার অনুমতি দেন না। আবার পুলিশ বলে লাঠি সোটা নিয়ে মিছিল আসতে পারবে না। আপনারা কাঠের বন্দুক থানায় রেখে আসেন। আওয়ামী লীগ অলিতে গলিতে রামদা কুড়াল নিয়ে মিছিল করে। সেগুলো রেখে আসেন। খালি হাতে আসেন যুদ্ধ করি। আওয়ামী লীগ রামদা কুড়াল নিয়ে আসবে। পুলিশ বন্দুক নিয়ে আসবে। আমাদের কি বাঁচার অধিকার নাই? সংবিধানে আমার বাঁচার অধিকার আছে।
আমার বাঁচার জন্য আমার তো কিছু করতেই হবে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে ৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পর্যন্ত আওয়ামী লীগের অপকর্মের কথা তারা বলে না। তৎকালীন সরকারের সময় খুন হয়েছে, গুম হয়েছে। নবাবগঞ্জের সিরাজ মাস্টারকে দেশে প্রথম খুন করা হয়েছে। গয়েশ্বর বলেন, স্বাধীনতার চেতনা আর ৭ নভেম্বরের চেতনা একই কথা।
৭ নভেম্বরের চেতনা মানুষের অধিকারের চেতনা, সাম্যের চেতনা, শোষণ মুক্ত সমাজ ব্যবস্থা। আয়োজক সংগঠনের আহবায়ক রফিকুল ইসলাম মাহতাবের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহিম।
