আলো ডেস্ক বিদেশ :টানা বর্ষণে বন্যা ও ভূমিধসে ভারত ও প্রতিবেশী দেশ নেপালে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এতথ্য জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম বিবিসি।হিমালয়ের দেশ নেপাল আর প্রতিবেশী ভারতের উত্তরাখন্ড এমন ভয়াবহতার মুখোমুখী হয়েছে। বহু ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে গেছে, ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বসতি, রাস্তাঘাট ও সেতু। জনপ্রিয় পর্যটন এলাকা উত্তরাখন্ডে একই পরিবারের পাঁচজনসহ অর্ধশতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বন্যায়। নেপালেও প্রায় একই সংখ্যক মানুষ মারা গেছেন। দুই দেশেই অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন। ভারতের কেরালা রাজ্যে বৃষ্টির পানিতে সৃষ্ট বন্যায় মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের। বহু বাড়িঘর ডুবে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেক এলাকা। সর্বশেষ বুধবারের হিসেবে হিমালয়ের নিকটবর্তী রাজ্য উত্তরাখন্ডে আরও ছয়জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে; এর মধ্যদিয়ে সেখানে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৫২ জনে। বন্ধ রাখা হয়েছে সব স্কুল। ঋষিকেশে গঙ্গার পানি ঢুকে পড়েছে লোকালয়ে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নৈনিতাল এলাকাও। অক্টোবরে সাধারণত উত্তরাখন্ডে গড়ে ৩০ দশমিক ৫ মিলিমিটারের মত বৃষ্টিপাত হয়। এবার সেখানে এক দিনেই ৩২৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বুধবার থেকে কমতে শুরু করেছে। নেপালে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। বুধবার সেখানে আরও ৩৪ জনের মৃতদেহ উদ্ধারের মধ্যদিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৭৭ জনে।ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইটারে শোক প্রকাশ করে বলেছেন, ‘উত্তরাখন্ডের কিছু অংশে ভারী বৃষ্টির কারণে প্রাণহানির ঘটনায় আমি শোকাহত। আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক।
