আলো ডেস্ক: ৬৪টি জেলার লিগ্যাল এইড অফিসারদের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণসহ প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদানে একটি পৃথক মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতির নেতৃত্বে ‘মনিটরিং কমিটি ফর ডিসট্রিক্ট লিগ্যাল এইড অফিসার্স’ গঠন করেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।
লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি নাইমা হায়দারের নেতৃত্বে মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের সই করা এ-সংক্রান্ত নোটিশ গত মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গত বছর (২০২২ সালের ২৭ জানুয়ারি ০৫/২০২২ইং বিজ্ঞপ্তিমূলে) প্রধান বিচারপতি দেশের ৮টি বিভাগের প্রত্যেক বিভাগের জন্য হাইকোর্ট বিভাগের আটজন বিচারপতির নেতৃত্বে পৃথক ৮টি মনিটরিং কমিটি ফর সাব-অর্ডিনেট কোর্টস গঠন করেছেন।
ওইসব কমিটি দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগের অন্তর্ভুক্ত জেলার বিভিন্ন আদালতের বিচারকসহ জেলা লিগ্যাল এইড অফিসারদেরকেও প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদান করছেন। কিন্তু সারাদেশের ৬৪টি জেলার লিগ্যাল এইড অফিসারদের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণসহ প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদানে ৬৪টি জেলার লিগ্যাল এইড অফিসারদের জন্য একটি পৃথক মনিটরিং কমিটি গঠন করা আবশ্যক।
এ কারণে প্রধান বিচারপতি দেশের ৬৪টি জেলার লিগ্যাল এইড অফিসারদের কার্যক্রমকে গতিশীল ও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণসহ প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদানে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক ও সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি নাইমা হায়দারের নেতৃত্বে ‘মনিটরিং কমিটি ফর ডিসট্রিক্ট লিগ্যাল এইড অফিসার্স’ গঠন করে দিয়েছেন। এই কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদানের নিমিত্তে সুপ্রিম কোর্টের লিগ্যাল এইড অফিসার (অতিরিক্ত জেলা জজ) ফারাহ্ মামুনকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
সরকার আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল, অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে সরকারি খরচে আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন-২০০০’ প্রণয়ন করে। এই আইনের মাধ্যমে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার অধীনে সারাদেশে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি গঠন করে দরিদ্র ও অসচ্ছল জনগণের বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিতে আইনট কার্যকর করে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া উচ্চ আদালতেও দরিদ্র ও অসচ্ছল জনগণের বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিতে গঠন করা হয় সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড কমিটি।
