আলো ডেস্ক: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী কোটায় সহকারী শিক্ষক পদে মো. সুমনকে নিয়োগ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রায় প্রকাশের তিন মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের এই আদেশ বাস্তবায়নের জন্য বলা হয়েছে। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া।
প্রতিবন্ধী কোটায় কেন তাদের নিয়োগ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে গতকাল রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজি জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া।
অপরদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাস গুপ্ত। রিটকারী আইনজীবী জানান, ১০ শতাংশ প্রতিবন্ধী কোটা পূরণ করে রিটকারী প্রতিবন্ধী প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ না দেওয়ায় বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে এবং লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী মো. সুমনকে ৯০ দিনের মধ্যে নিয়োগের নির্দেশ দেন।
রিটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা-পরিচালকসহ মোট ৫ জনকে বিবাদী করা হয়েছিল। রিটকারীদের আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া আরও বলেন, রিটকারী মো. সুমন একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, তিনি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত বিগত ২০১৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতিবন্ধী কোটায় নিয়োগের জন্য আবেদন করেন।
পরবর্তীতে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সফলভাবে উত্তীর্ণ হন এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। ২০১৮ সালে ওই নিয়োগ পরীক্ষার চ‚ড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হয়, যেখানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ১৯৯৭ সালের ১৭ মার্চের পরিপত্র অনুযায়ী, নির্ধারিত ১০% প্রতিবন্ধী কোটা মোতাবেক মো. সুমনকে সুযোগ প্রদান করা হয়নি।
