ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি
রাজশাহী- নওগাঁ মহাসড়কের ধার ঘেষে অবস্হিত একটি আদর্শ উপজেলা “মোহনপুর উপজেলা”। এই উপজেলার শেষ সীমানায় অবস্থিত একটি বাজার ‘ কামারপাড়া বাজার’। এই কামারপাড়া বাজারে জনসাধারণের চলাচলের জন্য সরকারীভাবে নির্মিত ড্রেনের উপর অবৈধভাবে সিঁড়ি নির্মাণ করা হয়। এই সিঁড়ি নির্মাণের বিষয়ে আমাদের প্রতিবেদকসহ আরও স্হানীয় সাংবাদিকবৃন্দ সেখানে উপস্হিত হলে সিঁড়ি নির্মাণকারী বিএনপির সক্রিয় কর্মী মোঃ আব্দুল লতিফ ও তার ছেলে মোঃ আব্দুল আলিম সাংবাদিকদের উপর ক্ষিপ্ত হন।
এই সময় তারা বলেন, আপনারা এই বিষয়ে প্রশ্ন করার আগে এই জমির খতিয়ান নিয়ে আসেন। এই রাস্তাটি তাদের জমির উপর আছে। ইহা ছাড়াও তাদের অনেক বড়-বড় সাংবাদিক আছে বলে উচ্চ স্বরে বলতে থাকেন। এই ঘটনাটি উপস্হিত সাংবাদিকবৃন্দ তাদের ক্যামেরায় ধারণ করেন, নিজ নিজ ফেসবুক প্রোফাইলে পোস্ট করেন। এই বিষয়টি রাজশাহী সড়ক ও জনপথ( সওজ) এর নজরে আসলে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা পরিদর্শনে গিয়ে তাদের অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে বলেন।
পরে দুপুর ১২ টার দিকে মোহনপুর থানার পুলিশ সদস্যসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে করেন মোহনপুর উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) মিথিলা দাস। এই বিষয়ে মোহনপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিথিলা দাস বলেন, এখানে সিএন্ডবির জায়গায় তারা অবৈধভাবে সিঁড়ি নির্মাণ করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের আগে যেহেতু সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এখানে এসেছিলেন। তাদের কাছ থেকে এই স্হাপনা নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নিতে ৩ দিন সময় নিয়েছেন এই মার্কেটের মালিকরা।
এই সময়ের মধ্যে এই স্হাপনা উচ্ছেদ না করলে, আমরা আইনগত ব্যবস্হা গ্রহণ করব। এই বিষয়ে রাজশাহী সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল হাকিম এর সঙ্গে আমাদের প্রতিবেদক কথা বললে তিনি বলেন, আমাদের অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সেই জায়গা পরিদর্শন করেন। তাদেরকে তাদের অবৈধ স্হাপনা সরিয়ে নিতে বলেন আগামী ৩ দিনের মধ্যে।
এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, রাজশাহী – নওগাঁ মহাসড়কে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারান। ইহার পরেও এই রাস্তার ফুটপাত দখল করা নিয়ে মেতে উঠেছেন স্হানীয় অসাধৃু ব্যবসায়ী, অসাধু ব্যক্তিবর্গ। আগামীতে এই রাস্তায় আরও মানুষের প্রাণ হারানোর সম্ভাবনা আছে বলে অভিজ্ঞ মহলের অভিমত।
