আলো ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসানসহ ৬ ছাত্রদল নেতাকে সাদা পোশাকে ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে গ্রেপ্তারের অভিযোগ করে নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। গত শুক্রবার বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রহুল কবির রিজভী গ্রেপ্তারের অভিযোগ এনে নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
বিএনপির অভিযোগ গত শুক্রবার সকাল ১১টায় রাজধানীর আজিমপুরস্থ নিজ বাসভবন থেকে বের হওয়ার পর জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-ঢাবি শাখার সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসানকে (৯-১০ সেশন) আর পাওয়া যাচ্ছে না। খোঁজ নেওয়ার জন্য তার বাসার সামনে গেলে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেন (৯-১০ সেশন), ঢাবি ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. হাসানুর রহমান (৯-১০ সেশন), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল রিয়াদ (১১-১২ সেশন), ঢাবি এফ রহমান হল ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম (১৪-১৫) ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দীন মোহাম্মদ বাবরকে (০৯-১০ সেশন) সাদা পোশাকধারী আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর লোকেরা তুলে নিয়ে যায়।
এখন পর্যন্ত তাদের কোনো হদিস না পাওয়া যায়নি। বিবৃতে রিজভী বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক বিরোধী দলীয় কোনো নেতাকর্মীকে বেআইনিভাবে আটকের পর অস্বীকার করা এখন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতায় থেকে এ ধরনের অমানবিক ঘটনা প্রতিদিন ঘটাচ্ছে। আটকের পর অস্বীকার করাটা অবৈধ আওয়ামী সরকার বিরোধী দল নিধনে মোক্ষম অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে।
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসান, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. হাসানুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল রিয়াদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ রহমান হল ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দীন মোহাম্মদ বাবরকে আটকের পর অস্বীকারের ঘটনা নিঃসন্দেহে অশুভ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করার কৌশল মাত্র।
উল্লিখিত ছাত্রদল নেতাদের নিখোঁজ থাকার ঘটনায় তাদের পরিবার ও বিএনপি নেতাকর্মীরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এতে তিনি অবিলম্বে ‘গ্রেপ্তারকৃতদের’ প্রকাশ্যে উপস্থিত করার জন্য আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটি নিশ্চিত যে, তাদেরকে সরকারের এজেন্সিগুলোই তুলে নিয়ে গেছে। সুতরাং এই মুহূর্তে মমিনুল ইসলাম জিসান এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেনসহ সকলকে তাদের পরিবারের কাছে ফেরত দেওয়ার জোর আহ্বান জানাচ্ছি।
