আলো ডেস্ক এক্সক্লুসিভ: থাকা অর্থ ফেরতের (রিফান্ড) বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ৬০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংককে এই প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন ব্যারিস্টার আশফাকুর রহমান। এছাড়া বিকাশ ও নগদে আটকে থাকা ইভ্যালিসহ ই-কমার্স গ্রাহকদের অগ্রিম টাকা ফেরত প্রদানে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেছেন আদালত।
গতকাল রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আশফাকুর রহমান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী। আইনজীবী আশফাকুর রহমান জানান, গত ২৪ অক্টোবর ২২ গ্রাহক এ রিট করেছিলেন। ইভ্যালিতে অর্ডার করা এই ২২ গ্রাহকের ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের গেটওয়েতে আটকা পড়েছে।
তিনি বলেন, এই ২২ জন গ্রাহক সেপ্টেম্বরে ইভ্যালিতে দুটি মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করে অর্ডার করেন। তারা এখনো পণ্য পাননি। এখন বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা সার্কুলার অনুসারে ১০ দিনের মধ্যে পণ্য না দিলে অর্থ ফেরত দিতে হবে।
তাই অর্থ ফেরতে পদক্ষেপ নিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে এ রিট করা হয়। পণ্য কিনতে অগ্রিম দেওয়া এই ২২ গ্রাহকের দুই কোটি ৬১ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩৫ টাকা অর্থ ফেরানোর পদক্ষেপ নিতে বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়।
অর্থ সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগের মহাব্যবস্থাপকসহ আট বিবাদীকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
