ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি
রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার উন্নয়ন কাজের টাকা যাচ্ছে ঠিকাদার, ইঞ্জিনিয়ার, এমপি ও মেয়রদের পকেটে। ভবানীগঞ্জ থেকে পুঠিয়া মহাসড়কের অবকাঠামো গত উন্নয়ন সম্প্রসারণ কাজ প্রায় শেষের পথে। এ রাস্তাটির কাজ শেষ হলে দূর হবে লক্ষ লক্ষ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দিন। এরই মধ্যে শেষ হয়েছে ২৭ কিলোমিটার এই রাস্তাাটির প্রথম পর্যায়ের কাজ।
কিন্তু অভিযোগ উঠেছে উন্নয়নের কাজের টাকা ভাগ বাটোয়ারা হয়েছে ঠিকাদার, ইঞ্জিনিয়ার, এমপি ও মেয়রদের মাঝে। রাস্তাটির কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই নিম্ন মানের ইট, কাদা যুক্ত বালু, রাস্তার পুরাতন ও নষ্ট ইট তুলে সেই রাস্তাতেই ব্যবহার করা হয়। সরজমিনে এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে এই তথ্য পাওয়া যায়। প্রথমে রাস্তার কাজে অনিয়ম শুরু হলে এলাকার মানুষ ফুষে উঠে কিন্তু সাবেক সর্বোহারার ৪ জেলার কমান্ডার আর্ট বাবু ও তার দশরদের ভয়ে মানুষ নিজের জীবনের কথা চিন্তা করে প্রকাশ্যে কথা বলতে ও প্রতিবাদ করতে পারেনা।
এলাকায় জন শ্রুতি আছে এমপি এনামুল হকসহ উপজেলা আওয়ামীলীগের হাইব্রিড নেতারা বিভিন্ন অপকর্ম করতে আর্ট বাবু ও তার সহযোগিদের বেছে নেয়। এরি মধ্যে নাম প্রকাশনা করার শর্থে এলাকার জনগন অভিযোগ করেন যে আমরা শুনেছিলাম রাস্তাটি ২৪ ফিট প্রস্থ হয়ার কথা ছিল কিন্তু রাস্তাটি ১৮ ফিটপ্রস্থ করা হয়েছে। এই জন্য এলাকাবাসী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। এছারও বাগমারার একজন জন প্রতিনিধি দুঃখের সাথে বলেন পুঠিয়া টু ভবানিগঞ্জ রাস্তাাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের।
আমাদের এম পি সাহেব এই কমিটির অন্যতম একজন সদস্য। পুঠিয়া কার্ত্তিক পারা এলাকাই মাটি দিয়ে সড়কটি ভরাট করার সময় ছেলে পেলে বাধা দিলে আমাদের এম পি বিষয়টি ধামা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ দিকে এম পিসাহেব এর বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ আছে সাবেক সর্বহারার ৪ জেলার কমন্ডার আর্ট বাবু বালুর কোন ঠিকাদার না হলেও তার কাছ থেকে বালু নেওয়ার জন্য এমপি সাহেব সুপারিশ করেন। এ বাপারে এলাকার মানুষ জানান প্রথমে কাদা যুক্তবালু দেওয়া হয় এরপরে মানুষের সমলোচনার মুখেও নিম্নমানের বালু দেন বলে অভিযোগ আছে।
এম পি এনামুল হক সাহেব এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমাকে কেও এ ব্যাপারে অভিযোগ করেনি। তুমি প্রথম বল্লে তোমার যদি মনে হয় অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়েছে তাহলে তোমার পত্রিকাই তুমি লেখ। আর্ট বাবু কে বালু দেওয়ার ব্যাপারে আমি কোন সুপারিস করিনি।
এ ব্যাপারে ঠিকাদার ও ইঞ্জিনিয়ারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, রাস্থাটি ১৮ফিট প্রস্থ এবং বাজার এলাকায় ২৪ ফিটপ্রস্থ করার কথা ছিলো। অন্যান্য রাস্তার তুলনায় এ রাস্তাটির কাজ ভালো হয়েছে বলে তারা দাবী করেন।
