অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। দাবিগুলো হলো ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত অন্য দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া, ‘জুম্ম ছাত্র-জনতার’ সমাবেশে হামলাকারীদের বিচার, আহত শিক্ষার্থীদের যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া এবং সমাবেশে হামলার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে বিচার নিশ্চিত করা।
জানতে চাইলে জুম্ম ছাত্র-জনতার অন্যতম মুখপাত্র দ্বীপায়ন ত্রিপুরা প্রথম আলোকে বলেন, ‘সাধারণ জনগণের দাবিতে আবারও অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে। অবরোধে সাংবাদিক, সংবাদপত্রের গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিসসহ জরুরি সেবার সব যান চলাচল করতে পারবে। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়া শান্তিপূর্ণ অবরোধ পালন করার জন্য আমরা সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি।’
জানতে চাইলে খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবদুল বাতেন আজ সকালে প্রথম আলোকে বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। শহরের কোথাও কোনো জায়গায় পিকেটিং করতে দেখা যায়নি।
এর আগে গত মঙ্গলবার রাত নয়টায় প্রাইভেট পড়ে ফেরার পথে এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। ওই দিন রাত ১১টার দিকে অচেতন অবস্থায় একটি খেত থেকে তাকে উদ্ধার করেন স্বজনেরা। ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শয়ন শীল নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁকে ছয় দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
ধর্ষণের ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবানসহ বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদে সমাবেশ হয়েছে। খাগড়াছড়িতে গতকাল এ ঘটনার বিচারের দাবিতে অবরোধ কর্মসূচি ছিল। এ কর্মসূচিকে ঘিরে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপর ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
