আলো ডেস্ক: কক্সবাজারে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার ৩ জনের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল সোমবার সকালে এ ৩ জনকে কক্সবাজার সদর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠায় তদন্তকারি সংস্থা ট্যুরিস্ট পুলিশ।
এ আসামিদের ৫ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানানো হলেও ২ দিনের রিমান্ড আদেশ দিয়েছেন আদালত। জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আসামিরা হলো কক্সবাজার শহরের দক্ষিণ বাহারছড়া এলাকার আবুল বশরের ছেলে রেজাউল করিম, একই এলাকার সালেহ আহমদের ছেলে মেহেদী হাসান এবং চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের উলুবনিয়া গ্রামের মোক্তার আহমদের ছেলে মামুনুর রশীদ।
তারা ধর্ষণের ঘটনায় সহযোগী ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। কক্সবাজারে ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি মো. জিল্লুর রহমান বলেন, নারী ধর্ষণের মূল হোতা আশিকসহ এ পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আশিককে ঢাকায় আদালতে পাঠিয়েছে র্যা ব। তাকে কক্সবাজারে পাঠাতে ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে।
অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কক্সবাজার শহরের শীর্ষ সন্ত্রাসী আশিকুল ইসলাম আশিকের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী চক্র এক নারীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। র্যা ব অভিযান চালিয়ে কক্সবাজারের হোটেল জিয়া গেস্ট ইন থেকে ধর্ষণের শিকার ওই নারীকে উদ্ধার করে বলে সাংবাদিকদের জানানো হয়।
ওই নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে হোটেলের ম্যানেজার রিয়াজ উদ্দিন ছোটনকে আটক করা হয়েছিল। এ ঘটনায় ২৩ ডিসেম্বর রাতে কক্সবাজার সদর থানায় ৪ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৩ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেন ধর্ষণের শিকার নারীর স্বামী।
আসামিরা হলেন আশিকুর রহমান ও তার তিন সহযোগী ইসরাফিল হুদা ওরফে জয়া ও মেহেদী হাসান ওরফে বাবু এবং রিয়াজ উদ্দিন ছোটন। মামলাটি তদন্ত করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।
