আলো ডেস্ক: রাজধানীর কলাবাগানের তেঁতুলতলা মাঠে থানা ভবন করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। একই সঙ্গে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার তেঁতুলতলা মাঠ রক্ষায় নাগরিক সমাজের আয়োজনে ‘থানা না মাঠ চাই’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন শুরু হলে তার মধ্যেই খবর আসে মাঠে থানা হবে না।
তখন সবাই উচ্ছাস প্রকাশ করেন। এ সময় ডা. জাফরুল্লাহ প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গে আমি আসাদুজ্জামান খান কামালকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। আর মুক্তিযুদ্ধার কাজ হচ্ছে মানুষের জন্য কাজ করা। সংবাদ সম্মেলনে স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন বলেন, এই মাঠকে আধুনিক মাঠে পরিণত করার জন্য যে নকশা প্রয়োজন তার দায়িত্ব আমি নিবো।
থানা না করার সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এটি প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে কলাবাগানবাসীর জন্য ঈদ উপহার। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে তেঁতুলতলা মাঠে থানা না হওয়ার সিদ্ধান্তে উচ্ছাস প্রকাশ করেন কলাবাগানের সাধারণ মানুষ ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এ সময় মাঠরক্ষা আন্দোলনকর্মী সৈয়দা রত্না বলেন, আমি জানতাম প্রধানমন্ত্রীর কানে পৌঁছালে মাঠটিতে থানা হতে দেবেন না তিনি।
তাই আমরা শুরু থেকে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছি। আমি প্রধানমন্ত্রীকে এইজন্য সাধুবাদ জানাই। এর আগে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ২০১৭ সালে আমরা ওই জায়গাটির জন্য এপ্লাই (আবেদন) করেছিলাম। তবে খোঁজ নিয়ে দেখলাম ওই এলাকায় খেলার জায়গা নেই। প্রধানমন্ত্রীও পরামর্শ দিয়েছেন, যেহেতু খালি জায়গা নেই, বিনোদনের কিছু নেই সেজন্য তিনি বলেছেন পুলিশের জমি সেভাবে থাকুক। কোনো কনস্ট্রাকশন যেন না হয়। যেভাবে চলছে চলতে থাকুক। এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত।
