ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি-
রাজশাহী জেলার অর্থনীতি কৃষিনির্ভর। একটি অসাধু চক্রের পরিকল্পিত কৌশলের কাছে পরাস্ত হয়ে রাজশাহী জেলা ও আশপাশের কৃষি জমির মালিকরা অনেকটাই বাধ্য হয়ে তাদের আবাদি জমিতে পুকুর করতে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
এইরূপ পরিস্থিতি চলতে থাকলে রাজশাহীর ভূ- প্রকৃতিতে বিরূপ প্রভাব পড়ার পাশাপাশি ফসল উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দিতে পারে আমাদের দেশে। রাজশাহী কৃষি স¤প্রসারণ অধিদফতর থেকে দেওয়া তথ্য মতে, রাজশাহী জেলায় গড়ে প্রতি বৎসর প্রায় ৮০০ হেক্টর (২ হাজার ৪০০ বিঘা) পরিমাণ কৃষিজমি কমে আসছে। ইহার মধ্যে ২০১৯-২০২০ ইং অর্থ বৎসরে কমেছে ৫ হাজার হেক্টর কৃষিজমি।
এইসব এলাকার স্থানীয় জমির মালিক ও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে আমাদের প্রতিবেদক জানতে পারেন যে, নতুন এক একটি পুকুরের আয়তন ২০ বিঘা থেকে ৫০ বিঘা পর্যন্ত বিস্তীর্ণ। এইসব এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা প্রথমে বিস্তীর্ণ ফসলি জমির মধ্যে যে জমিতে ফসল উৎপাদন তুলনামূলক কম হয়, এইসব জমি বাছাই করে কৌশলে পুকুর খনন কাজ শুরু করেন।
