আলো ডেস্ক: বগুড়ার ধুনটে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মুরাদুজ্জামান মুকুল নামের এক প্রভাষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার রাতে তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। মুকুল ধুনটের জালশুকা হাবিবুর রহমান কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক।
তিনি গত কয়েক মাস যাবত ঐ ছাত্রীকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মুকুলের বাড়ি উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়নের শৈলমারী গ্রামে। তার স্ত্রীও একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। মামলা সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার মুকুল ধুনট পৌর এলাকার দক্ষিণ অফিসারপাড়া এলাকার একটি বাসার নিচতলায় ভাড়া থাকতেন। ঐ বাড়ির মালিকের দুই বছর বয়সী মেয়ে খেলাধুলা করতে প্রায়ই মুরাদুজ্জামানের ফ্লাটে যাওয়া-আসা করতো।
সেই সুবাদে বাড়ির মালিকের বড় মেয়ে দশম শ্রেণির ছাত্রীও সেখানে যেত। এদিকে মুকুলের স্ত্রীও স্কুলের শিক্ষিকা হওয়ায় তিনি বাড়িতে থাকতেন না। এই সুযোগে মুকুল কয়েক মাস আগে মেয়েটিকে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে। সে সময় ধর্ষণের ভিডিও রেকর্ড করা হয়। এরপর ওই ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে মুকুল।
সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবারও মেয়েটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে, সে চিৎকার দিলে তার খালা সেখানে উপস্থিত হলে মুকুল কৌশলে পালিয়ে যায়। এরপর মেয়েটি তার পরিবারের কাছে সম্পূর্ণ ঘটনা খুলে বললে তার মা বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে ধুনট থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে মামলার আসামি প্রভাষক মুরাদুজ্জামান মুকুলকে আটক করা হয়। এরপর অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। গতকাল শুক্রবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
