ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি-
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়( রাবি) এর ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নম‚লক তিন প্রকল্প বাস্তবায়নের মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ৩রা জুন রোজ শুক্রবার। কিন্ত একটি ভবনও দৃশ্যমান হয়নি। সর্বোচ্চ কাজ শেষ হয়েছে ১৫ ভাগ। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে না পারার জন্য ড্রয়িং- ডিজাইন পেতে দেরি হওয়া, করোনার প্রভাব, শ্রমিক স্বল্পতার কারণের কথা জানালেন আমাদের প্রতিবেদককে রাবি’র পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দফতরের পরিচালক। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে, বৃহৎ ৩ প্রকল্পের মধ্যে ১০ তলা বিশিষ্ঠ শেখ হাসিনা হল, শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামান হল।
২০তলা বিশিষ্ঠ বিজ্ঞান ভবনের নির্মাণ কাজ চলছে। কামারুজ্জামান হল, শেখ হাসিনা হলের নির্মাণ ভিত্তির কাজ শেষের দিকে। বিজ্ঞান ভবনের ভিত্তির কাজ অনেকটা বাকি আছে। এই প্রকল্পের সাড়ে ৫ বৎসরের মধ্যে কোন ভবনে কলাম উঠেনি। এইসব প্রকল্পের মেয়াদ গত ৩ রা জুন শেষ হয়ে গেছে। রাবি বিশ্ববিদ্যালয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দফতর সূত্র থেকে জানা যায় যে, ২০১৭ সালে ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়নে ৩৬৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদিত হয়।
ইহার আওতায় এই ৩ টি ভবন ছাড়াও ড্রেনেজ ব্যবস্থাসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা আছে। দ্রব্যম‚ল্যের ঊর্ধগতি ও আনুষঙ্গিক খরচের দিক বিবেচনায় এই প্রকল্পের সংশোধিত বাজেট পাস হয়। নতুন বাজেটে এই প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় ৫১০ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।
এই জন্য খরচ বাড়ে ১৪৭ কোটি ১২ লাখ টাকা। নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ না করতে পারা প্রসঙ্গে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দফতরের পরিচালক ( ভারপ্রাপ্ত) খন্দকার শাহরিয়ার রহমান আমাদের প্রতিবেদককে জানান, ম‚লত প্রকল্পটি ২০১৪ সালের রেট শিডিউলে ছিল। তিনি ২০১৯ সালে এই প্রকল্পের ডিজাইন ও ড্রয়িং হাতে পাই।
