ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি
রাজশাহী জেলা, উপজেলা গুলিতে এবার আলুর সময়ে পটাশ সারের সংকট দেখা দিবে। ৭৫০ টাকা ম‚ল্যের এক বস্তা পটাশ এই এলাকার কৃষকদের কিনতে হবে ১১০০-১২০০ টাকায়। ইহার পরও চাহিদা মত কৃষকরা সার পাচ্ছেন না। এই কারণে রাজশাহী জেলা,আশপাশের এলাকাগুলিতে এই মৌসুমে আলু চাষ ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর থেকে জানা যায় যে,এই জেলায় কোন সার সংকট নাই।
অতিরিক্ত সার প্রয়োগ রোধে কৃষকদের সচেতন করা হচ্ছে। কৃষকরা চাহিদা মত সার পাবে সেইজন্য সব ব্যবস্হা নেওয়া হচ্ছে। রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূএ থেকে জানা যায় যে, এই বৎসর রাজশাহী জেলায় আলু চাষের লক্ষ্যমাএা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৭ হাজার ১৮০ হেক্টর জমিতে। গত বৎসর ছিল ৩৮ হাজার ৫৪৩ হেক্টর জমিতে।
এই হিসাবে এবার ১ হাজার ৩৬৩ হেক্টর জমিতে আলুর চাষ কম হচ্ছে। রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলা আমাদের দেশের মধ্যে আলু চাষে ৩য় অবস্থানে আছে। এই উপজেলার আমশো গ্রামের কৃষক তুষার আহমেদ আমাদের প্রতিবেদককে বলেন, এই বৎসর আমি ৫ বিঘা জমিতে আলু চাষ করব। জমি ঠিকঠাক করেছি।
পটাশ সার ঠিকমত পাওয়া যাচ্ছে না। লাইন ধরে ২ বস্তা পটাশ সার কিনেছি ৭৫০ টাকা দরে। আর ৫ বস্তা কিনেছি ১২০০ টাকা দরে। মোহনপুর উপজেলার ধুরইল গ্রামের কৃষক মোখলেসুর রহমান জানান, ২০ বিঘা জমিতে এবার আমি আলু চাষ করব। ২-৩ দিনের মধ্যে জমিতে বীজ বপন শুরু করব। পটাশ সার চাহিদামত পাচ্ছি না।
২০ বস্তা পটাশ কিনেছি অন্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ১১৫০ টাকা দরে। আমার আরও ৩০ বস্তা পটাশ সার লাগবে। রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য কর্মকর্তা উম্মে সালমা আমাদের প্রতিবেদককে জানান, এই জেলায় পটাশ সারের কোন সংকট নাই। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত সার মজুদ আছে।
