স্টাফ রিপোর্টার
রাজশাহীর বাজারে মাছের সরবরাহ বেড়েছে একই সাথে কমেছে মাছের দাম। গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে মাছের দাম। শনিবার (১২ নভেম্বর) মহানগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রাজশাহীর মনিচত্তর, কোট স্টেশন ও নওদাপাড়াসহ বড় বড় আড়তে সব ধরনের মাছের সরবরাহ বেড়েছে। ভোর থেকেই ক্রেতা-বিক্রেতাদেও হাঁকডাকে সরগরম মাছের বাজার। সরবরাহ বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি দাম কমে যাওয়ার করণে বেড়েছে ক্রেতার সংখ্যা।
গত সপ্তাহের চেয়ে বড় ইলিশ কেজিতে ২০০ টাকা কমে ১ হাজার টাকায়, মাঝারি ইলিশ ২০০ টাকা কমে ৬০০ টাকায় ও ছোট ইলিশ ১০০ টাকা কমে ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়ে প্রতি কেজি। সিলভার কার্প ২০ টাকা কমে ১৩০ টাকায়, পাঙ্গাশ ৫০ টাকা কমে ১৫০-১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, কিন্তু অপরিবর্তীত রয়েছে রুই মাছের দাম কেজি প্রতিতে ২৫০-৪০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
রাজশাহীর র্কোটস্টেশনের মাছচাষি মোঃ ওসমান গনি বলেন, বর্ষাকালের তুলনায় শীতকালে পুকুরে পানি কিছুটা কমে যায়, সে কারণে মাছ ধরা সহজ হয়। তাই বাজারেও মাছের দাম কম জেনেও প্রায় ৫ মন মাছ বিক্রি করতে আসছেন।
মাছ কিনতে আসা এক ক্রেতা মোঃ ওমর ফারুক বলেন, শীতকালে মাছের আকার ছোট থাকে। একারণেই মাছচাষিরা আগে আগেই বিক্রি করে দেন। আর এই সুযোগে আমরাও কম দামে কিনতে পারি।
নওদাপাড়া আড়ত মালিক মোঃ কাদের বলেন, আড়তে দেশি ও কার্প জাতিয় মাছ বেশি আসছে। তাই কেজিতে ২০-৩০ টাকা কমেছে। এমন পরিস্থিতি আরো ১মাস চলবে। এতে ক্রেতাদের খুশি হবে আশা করি।
এছাড়া মাংসের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহে স্বাভাবিক রয়েছে গরুর মাংসের দাম প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ টাকা, খাসির মাংস গত সপ্তাহের তুলনায় ১০০ টাকা কমে ৭০০-৭৫০ টাকায়, ব্রয়লার ৩০ টাকা কমে ১২০ টাকায়, লেয়ার মুরগী ২০ টাকা কমে ২২০-২৩০, দেশি মুরগী ৩৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
শীতকাল শুরু হতে চললো। আর শীতকাল মানেই যেন পুষ্টিকর সবজির সমারোহো। হ্যা, ফুলকপি এমন ই একটি সবজি যাকে ছাড়া যেন শীতকালের তরকারি জমেই না। রাজশাহী মহানগরীর প্রায় সকল বাজারে দেখা মিলেছে ফুলকপি ও তার ফুলকপির আরেক ভাই বাধাকপির। ফুলকপি প্রতি কেজিতে ৩০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকায়, বাধা কপি ১০ টাকা কমে ৩০ টাকায়, শিম ২০ টাকা কমে ৬০ টাকায়, টমেটো ৫০ টাকা কমে ৯০-১০০ টাকায়, লাউ ২৫-৩০ টাকায়, পুইশাক ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া পিয়াজ গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ১০ টাকা কমে ৩০-৪০ টাকায়, রসূন ৯০-১১০ টাকায়। মুদিপণ্য ও অন্যন্য পণ্য সামগ্রীর দাম গত সপ্তাহের মতো স্বাভাবিক রয়েছে।
