আলো ডেস্ক: ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেছেন, অসাধু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যে যুদ্ধ আমাদের চলছে তা চলমান থাকবে। এ ছাড়া বিদেশ থেকে যে চোরাই পথে টাকা আসছে তা নিয়েও অভিযান চলবে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ স্থলবন্দর পরিদর্শন শেষে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ভোক্তার ডিজি বলেন, হঠাৎ করেই পেঁয়াজের দামবৃদ্ধির এই আচরণ কাম্য নয়। অথচ দামবৃদ্ধির পরপরই ভারত থেকে কিছু পেঁয়াজ আমদানি শুরু করলেই দেশে পেঁয়াজের দাম কমে যায়। এ বিষয়ে খুব শিগগির সিদ্ধান্ত আসছে। প্রযুক্তির কল্যাণে ফোনে ও এসএমএসে ভারতে বৃষ্টি ও আমদানি বন্ধের খবরেও দ্রুত দাম বেড়ে যায়। বিভিন্ন নিত্যপণ্যের দামবৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ক্রেতাদেরও সর্তক হতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, আমরা যদি ইফতারে বেগুনি না খাই তাহলে আমাদের ইফতারি অসম্পূর্ণ হবে না।
ক্রেতারা তিন হাজার টাকার একটি কাপড় নেয় না। কিন্তু সেই পণ্যের গায়ে যখন ১০ হাজার টাকা মূল্য লেখা থাকে, তখন সেটিই কেনে। আমাদের পক্ষ থেকে আমরা কাজ করছি। তবে এর আগে সবার সচেতনতা প্রয়োজন। ভোক্তা অধিদপ্তর বাজার মনিটরিংয়ে কাজ করছে। সফিকুজ্জামান আরও বলেন, ভোক্তা অধিদপ্তরের বিভিন্ন কার্যালয়ে গতবছর ৯ হাজার অভিযোগ পড়েছিল। কিন্তু চলতি বছর তা বেড়ে প্রায় ৩৩ হাজার হয়েছে। এতগুলো অভিযোগ নিষ্পত্তি করতে আরও জনবল প্রয়োজন।
সারাদেশে আমাদের মাত্র ৮৮ জন কর্মকর্তা আছেন, যারা হেডকোয়ার্টার, বিভাগীয় কার্যালয় ও জেলা কার্যালয়ে কর্মরত। মতবিনিময় সভায় সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে নানা সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।
এ সময় শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল হায়াত, শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চৌধুরী জোবায়ের আহমেদ, সোনামসজিদ স্থলবন্দর পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের ম্যানেজার মাইনুল ইসলামসহ আমদানি-রপ্তানিকারক, সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ীসহ স্থলবন্দর সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
