স্টাফ রিপোর্টার
১৮-০৫-২০২৩ বৃহস্পতিবার হুজুরীপাড়া ইউপির কর্ণহার গুচ্ছ গ্রামে পারিবারিক পুষ্টিবাগান প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শামসুন নাহার ভূইয়া, উপজেলা কৃষি অফিসার পবা, রাজশাহী। রায়হানউদ্দিন কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার, পবা, রাজশাহী। উপসহকারী কৃষি অফিসার রবিউল ইসলাম, লিয়াকত আলি, এবং দুই নাম্বার ওয়ার্ড সদস্য ইসাহাক আলী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে জনাব শামসুন্নাহার ভ‚ইয়া বলেন সবুজ বিপ্লবের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। কিন্তু ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার পুষ্টির চাহিদা নিশ্চিত করতে হলে আরো ব্যাপকভাবে পুষ্টি সমৃদ্ধ ফসল উৎপাদন, শস্যের বহুম‚খীকরণ ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি কার্যক্রমকে শক্তিশালীকরণ প্রয়োজন।
ফসল উৎপাদনের মূল কাণ্ডারী এই দেশের মেহনতি কৃষক। তাই উন্নত প্রযুক্তি ও কলাকৌশল কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে পারলে কাঙ্খিত ফলন পাওয়া সম্ভব। এতে কৃষক আর্থিকভাবে যেমন উপকৃত হবে তেমনি দেশের খাদ্য ভাণ্ডারে যুক্ত হয় অধিক শস্য। দেশ হবে আরো খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এই লক্ষ্যে বিগত বছরগুলোতে খাদ্য ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধশালী ও টেকসই করতে সরকার সারা বছর সময়ের চাহিদার নিরীখে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের মধ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।
বৈশ্বিক মহামারি করোনা মোকাবিলায় নিরবচ্ছিন্ন খাদ্য চাহিদা পূরণ এবং পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে বসতবাড়িতে শাকসবজি বাগান সৃজন এবং ফলগাছ লাগানো অপরিহার্য। এতে পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি পারিবারিক আয় বৃদ্ধি এবং পারিবারিক শ্রমের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হবে।
সে লক্ষ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহায়তায় কর্ণহার গুচ্ছগ্রামের গ্রামের ৫০টি পরিবারের মাঝে এই প্রদর্শনী স্থাপনের জন্য বিভিন্ন সহযোগিতা করা হয় প্রত্যেক কৃষক বিভিন্ন গাছের চারা সবজি বীজ বিজ সংরক্ষণ পাত্র ঝর্ণা নেট এবং জৈব ও রাসায়নিক সার দেওয়া হয় এবং উদ্বুদ্ধ করনের মাধ্যমে সজিনা ডাল রোপন করা হয় ২০০ টি।
সময় উপযোগী সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপনের এ প্রণোদনা দেশের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের মুখে সচ্ছলতার হাসি ফুটিয়ে দেশের অর্থনীতির মূল চালিকা খাত কৃষিকে আরও সমৃদ্ধ ও প্রগতিশীল করবে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্ট সকলে।
