স্টাফ রিপোর্টার
মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর দিক নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে ‘‘জিরো টলারেন্স’’ নীতি অনুসরণ করে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর সদস্যগণ সীমান্ত এলাকায় বিশেষ মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ০৩ জুন ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ২৩২০ ঘটিকায় সাহেবনগর বিওপি’র নিয়মিত টহল দল টহল পরিচালনার সময় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, গোদাগাড়ী থানাধীন খানাপাড়া নামক এলাকা দিয়ে মাদক দ্রব্যের একটি চালান বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পাট ক্ষেতের ভিতরে ওৎ পেতে থাকে। দীর্ঘসময় ওৎ পেতে থাকার এক পর্যায়ে টহল দল দেখতে পায় যে, একজন মাদক কারবারী মাথায় একটি বস্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক সীমানা অতিক্রম করে বাংলাদেশের ভিতর প্রবেশ করছে। তৎক্ষণাৎ তাকে ধরার জন্য ধাওয়া করলে তার নিকট থাকা বস্তা ফেলে ভারতের অভ্যান্তরে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি’র টহল দল কর্তৃক বস্তাটি খুললে তার মধ্য হতে *১৬ বোতল ভারতীয় অফিসার চয়েজ মদ* (মালিকবিহীন) জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত মাদকদ্রব্য গোদাগাড়ী থানায় জমা দেওয়া হয়েছে।
একই দিনে রাত্রি আনুমানিক ২৩৫০ ঘটিকায় ইউসুফপুর বিওপি’র আভিযানিক দল চারঘাট থানাধীন ইউসুফপুর পদ্মার চর নামক এলাকায় অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্যে ফাঁদ পেতে থাকে। ফাঁদ পেতে থাকার এক পর্যায়ে বিজিবি’র আভিযানিক দল হতে কিছুটা দূরে লোকজনের আনাগোনা শুনতে পায় এবং ঘটনা যাচাই করার জন্য সুকৌশলে অগ্রসর হলে বিজিবি’র আভিযানিক দলের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারীরা তাদের নিকট থাকা বস্তা ফেলে পালিয়ে যায়। পরক্ষনে আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে কাউকে দেখতে না পেয়ে আশেপাশে তল্লাশী কার্যক্রম পরিচালনা করে। তল্লাশীর এক পর্যায়ে আভিযানিক দল একটি কালো পলিথিনের ব্যাগ দেখতে পায়। পরবর্তীতে বিজিবি’র আভিযানিক দল কর্তৃত উক্ত পলিথিনের ব্যাগটি খুললে তার মধ্য হতে *২৪০ পিস ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট এবং ৫০ পিস ইয়াবা* (মালিকবিহীন) জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত মাদকদ্রব্য চারঘাট থানায় জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
