রা জ শা হী র আ লোঃ – চাল, ডাল, তেল ও গ্যাসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বাড়ায় এবং সরকারের সীমাহীন দুর্নীতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রদল। গতকাল রোববার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তারা।
এ সময় ‘দ্রব্যমূল্য কমিয়ে দে, ভোটাধিকার ফিরিয়ে দে’, ‘দ্রব্যমূল্য বেশি কেন? অবৈধ প্রধানমন্ত্রী জবাব দাও’, ‘লুটেরা সিন্ডিকেট নিপাত যাক, জনগণ মুক্তিপাক’, ‘দশ টাকা সের চাল দে, নইলে গদি ছেড়ে দে’, ‘চাল, ডাল, তেলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য কমিয়ে দে, জনসাধারণকে স্বস্তি দে’ সংবলিত বিভিন্ন প্ল্যা-কার্ড প্রদর্শনীর মাধ্যমে তাদের দাবি তুলে ধরেন।
ছাত্রদলের আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ রাহীর সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন- সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ আলী, সরদার জহুরুল, মেহেদি হাসান, শফিকুল ইসলাম, বুলবুল রহমান, আহসান হাবিব, মাহমুদুল মিঠু, জহির শাওন, স¤্রাট আবদুল লতিফ, মারুফ হোসেন, এম এ তাহের, আহ্বায়ক সদস্যসহ বিভিন্ন হলের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী। সদস্য সচিব সামসুদ্দিন চৌধুরী সানিনের সঞ্চালনায় রাবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ‘অবৈধ সরকারের দুর্নীতির কারণে আজ দ্রব্যমূল্য বেড়েছে।
মধ্যবিত্ত ও গরীব মানুষের ঘরে ঘরে চাপা কান্না। তাদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে। তারা সংসার চালাবে না তাদের সন্তানের পড়াশোনার খরচ চালাবে। অনেক ছাত্র অভাবের তাড়নায় পড়াশোনা বাদ দিয়ে কৃষিকাজ-দিনমজুরি করছে। আমরা মনে এ ব্যর্থতার জন্য বর্তমান সরকারের পদত্যাগ করা উচিত।’ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম মাহমুদুল হাসান মিঠু বলেন, ‘খাদ্য হলো মানুষের মৌলিক অধিকার। রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিম্নবিত্ত-মধ্যবিত্তের কথা চিন্তা করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য জনসাধারণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে।
এ খাতে পর্যাপ্ত ভর্তুকি দিয়ে তথাকথিত বাজার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করা। কিন্তু এই জনবিচ্ছিন্ন সরকার, কতিপয় ব্যবসায়ীর স্বার্থ রক্ষায় এ দেশের আপামর জনতাকে শোষণ করছে।’ তিনি আরও বলন, ‘সম্প্রতি রাজশাহীতে ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে পাঁচ দিনব্যাপী ভারত-বাংলাদেশ যৌথ সাংস্কৃতিক সম্মেলন হয়েছে যেটা এই ক্ষুধা দারিদ্রে জর্জরিত সময়ে বিলাসিতা। আমি বাঁচলে আমার সংস্কৃতি বাঁচবে।
সুতরাং আগে আমার নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগাম টানতে সরকারের ভূমিকা হবে জনবান্ধব। কিন্তু তাদের আমোদ ফুর্তির ব্যয় যদি রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে করতে হয় তাহলে সেটা কাম্য নয়।
