ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি
আমাদের দেশে ‘ডিম’ আমদানি করলে ১২ টাকার ডিম খেতে হবে ২০ টাকায় বলে হুঁশিয়ারী প্রদান করেন ব্রিডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (বিএবি) এর ভাইস প্রেসিডেণ্ট মোঃ আনোয়ারুল হক। গত বৃহস্পতিবার ইআরএফ মিলনায়তনে ‘পোলট্রি শিল্পে সংকট’ প্রান্তিক খামারীদের সুরক্ষা, ডিম-মুরগির উৎপাদন খরচ হ্রাসে করণীয়’ অনুষ্ঠানে বিএবি এর ভাইস প্রেসিডেণ্ট বলেন, বাংলাদেশে আমদানি করে ডিমের দাম কমাতে চাইলে উল্টো দাম বাড়বে।
তখন ১২ টাকার ডিম ২০ টাকায় খেতে হবে। প্রান্তিক খামারীদের সুরক্ষা, ডিম-মুরগির উৎপাদন বাড়াতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র হস্তক্ষেপ কামনা করেন পোলট্রি সংশ্লিষ্ঠরা। ইকোনমিক রিপোটার্স ফোরাম (ইআরএফ), বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেণ্টাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) যৌথভাবে ইহার আয়োজন করেন।
হঠাৎ করে আমাদের দেশে ডিমের বাজার অস্হিতিশীল হওয়ার পিছনে কোন সিন্ডিকেট নাই বলেও অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা দাবি করেন। আমাদের দেশে ডিম আমদানি করা হলে আমাদের দেশের পোলট্রি খাতের উপর প্রভাব পড়বে।
বর্তমান সংকট দুর করতে গিয়ে ডিম আমদানি করা হলে প্রান্তিক খামারীরা ক্ষতির মুখে পড়বে। তারা খামার বন্ধ করে দেবে,উৎপাদন কমে যাবে। ইহার ফলে ভোক্তাদের একটি ডিম ২০ টাকায় কিনতে হবে। মুরগির ফিডের দাম না কমলে ডিমের উৎপাদন খরচ কমানো সম্ভব নয়।
