আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ থাইল্যান্ডের নতুন সরকারের উপদেষ্টা হতে পারেন দেশটির কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা। তবে তা অবশ্যই তাঁর কারামুক্তির পর।
শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি জানিয়েছে দেশটির ক্ষমতাসীন দল। ২০০৬ সালে সেনা অভ্যুত্থানে ৭৪ বছর বয়সী থাকসিন ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিলেন। গত মাসে তিনি দেশে ফেরেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তাঁকে কারাগারে যেতে হয়।
থাকসিনের ফেউ থাই পার্টির নতুন থাই প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন এ সপ্তাহের শুরুতে বলেছিলেন, দুবারের প্রধানমন্ত্রী এখনো তাঁর দেশের সেবা করতে পারেন। নিউইয়র্কের ব্লুমবার্গ টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, থাইল্যান্ডের সরকার ও জনগণের জন্য কিছু করার সক্ষমতা থাকসিনের রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
থাকসিনের জনপ্রিয়তার দিকে ইঙ্গিত করে স্রেথা থাভিসিন বলেন, থাইল্যান্ডের রাজনীতিতে থাকসিন সিনাওযাত্রা সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। সম্ভবত এখনো আছেন।
উপপ্রধানমন্ত্রী ফুমথাম ওয়েচায়াচাই গতকাল বলেছেন, সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে থাকসিন সিনাওয়াত্রাকে রাখার বিষয়টি সমর্থন করেন তিনি।
সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে উপপ্রধানমন্ত্রী ফুমথাম বলেন, এটি খুব ভালো বিষয় হবে; কারণ, তাঁর (থাকসিনের) সরকার পরিচালনায় ছয় বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এতে দেশের উপকার হবে।
দলটির আরেকটি সূত্র এএফপিকে নিশ্চিত করেছে, থাকসিন সিনাওয়াত্রা কারাগার থেকে মুক্তি পেলে তাঁর সাথে পরামর্শ করার পরিকল্পনা করছে ফেউ থাইয়ের নেতৃত্বাধীন নতুন জোট সরকার।
১৫ বছর স্বেচ্ছা নির্বাসনে থাকার পর থাকসিন সিনাওয়াত্রা যেদিন দেশে ফিরলেন এবং সেদিনই তাঁর প্রতিষ্ঠিত ফেউ থাই পার্টির প্রার্থী স্রেথা থাভিসিনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়া কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়।
